সাংবাদিককে সাময়িক বহিষ্কার

কুবিতে মানববন্ধন, উপাচার্যকে আইনের আওতায় আনার দাবি ডুজার

আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০২৩, ০২:৫৯

সংবাদ প্রকাশের জেরে দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) প্রতিনিধি রুদ্র ইকবালকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রদানের ঘটনায় মানববন্ধন করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে দুর্নীতির ‘পক্ষে’ বক্তব্য প্রদানের জন্য উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈনকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (ডুজা)। ডুজা সভাপতি মামুন তুষার ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম রুবেল স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতারা বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনোরকম আইনের তোয়াক্কা না করে এবং কোনো বিধি না মেনে ইকবালকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে। সাংবাদিক সমিতি মনে করে সংবাদ প্রকাশ কোনো অপরাধ নয়। যে সংবাদের জন্য ইকবালকে বহিষ্কার করা হয়েছে, সে সংবাদের সব তথ্যপ্রমাণ আমাদের কাছে রয়েছে।’ প্রশাসন বলেছে, উচ্চপর্যায়ের সভার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কিন্তু কারা আছেন এই উচ্চপর্যায়ের সভায় এবং কোন শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে ইকবালকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তার কিছুই উল্লেখ করেনি প্রশাসন। আমরা আজকের মধ্যে এই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চাই, অন্যথায় আগামী রবিবার পুরো বাংলাদেশের সাংবাদিকদের নিয়ে কঠোর আন্দোলন করতে বাধ্য হব।

ডুজা নেতৃবৃন্দ বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি দুর্নীতির পক্ষে বক্তব্য দেওয়া মানে, তিনি দুর্নীতিকে উত্সাহিত করছেন, যেটি দেশের আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। সেই বক্তব্যের জন্য জাতির সামনে তার ক্ষমা চাওয়া উচিত। এটি না করে, বরং তিনি একজন সাংবাদিককে কোনো ধরনের আইনের তোয়াক্কা না করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করেছেন। যা কোনো বিচারেই যুক্তিযুক্ত নয়। দুর্নীতির পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার জন্য তারা কুবির ভিসিকে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

ইত্তেফাক/এএইচপি