বুয়েটে দীপ হত্যা: আর্থিক সহায়তা পেলো পরিবার

আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০২৩, ০১:০২

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) হামলায় নিহত ছাত্রলীগ নেতা আরিফ রায়হান দীপের পরিবারকে ৫০ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (৭ আগস্ট) এ আর্থিক সহায়তা প্রদান করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। 

বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও বুয়েট ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন আরিফ রায়হান দীপ। ২০১৩ সালের ৯ এপ্রিল বুয়েটের নজরুল ইসলাম হলে তাকে মাথায় ও পিঠে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। এ ঘটনায় চকবাজার থানায় আরিফের ভাই বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা ১৭ এপ্রিল বুয়েটের মেজবাহউদ্দীন নামের চতুর্থ বর্ষের এক শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করেন।

এদিকে হাসপাতালে ৮৪ দিন কোমায় থাকার পরে ২০১৩ সালের ২ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন দীপ। তার মৃত্যুর ১০ বছরের বেশি সময়ে পেরিয়ে গেলেও এখনও বিচার পাননি দীপের পরিবার ও বন্ধুরা।

সোমবার বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক সত্য প্রসাদ মজুমদারের হাত থেকে আর্থিক সহায়তার চেক গ্রহণের পর কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন দীপের বাবা শেখ আলী আজম। তিনি বলেন, ‘বুয়েটের পক্ষ থেকে যেই সহায়তা প্রদান করা হয়েছে সে জন্য ধন্যবাদ। বুয়েটে এলে দীপের ঘ্রাণ পাই এখনো।’

চেক প্রদানের সময় বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক সত্য প্রসাদ মজুমদার বলেন, আমরা চাইনা এভাবে বুয়েটের কোনো শিক্ষার্থীর প্রাণ যাক। বুয়েটের প্রতিটি হলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখন জোরদার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে জরুরি প্রয়োজনে শিক্ষার্থীরা যেন আমাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারেন, সে বিষয়েও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

আর্থিক সহায়তা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)-এর সমন্বয়ক ও তিতাস বোর্ডের পরিচালক তন্ময় আহমেদ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন-বাংলাদেশ পরমাণু কমিশনের প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার, পরমাণু বিজ্ঞানী তানভীর হাসান তালাশ, বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক নেতা এবং ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)’র সম্মানী সহকারী সাধারণ সম্পাদক রনক আহসান, বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আবু সাইদ কনক ও খন্দকার জামি উস সানী এবং বুয়েটের শিক্ষক ও কর্মকর্তারা।

ইত্তেফাক/এএএম