মাস্তুল ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা হিসাবে যোগ দিয়েছেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক যুগ্মসচিব মোহাম্মাদ কামরুল ইসলাম চৌধুরী। মাস্তুল ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে দেশের এবং সমাজের উন্নয়নে এবং দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করে আসছেন। পাশাপাশি তিনি মাস্তুল ফাউন্ডেশনের সমাজ কল্যাণমূলক কাজের সাথে জড়িত রয়েছেন । তার প্রচেষ্টায় এবং মাস্তুল ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এ বছর পঞ্চগড়ের শিশু পরিবারের জন্য কোরবানির গরু উপহার এবং দুস্থ মহিলা রহিমাকে সেলাইমেশিন এবং সেলাই সামগ্রী দিয়ে স্বাবলম্বী করা হয়েছে।
মাস্তুল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা এবং নির্বাহী পরিচালক কাজী রিয়াজ রহমান জানান আমরা আনন্দিত কামরুল ইসলাম কে আমাদের পথচলায় সাথে পেয়ে। আমি বিশ্বাস করি ভবিষ্যতে আমরা একসাথে সমাজের কল্যাণমূলক কাজগুলো তার নিদর্শনায় সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারব। তার মত পরোপকারী মানুষ কে পেয়ে আমরা গর্বিত।
যুগ্মসচিব মোহাম্মাদ কামরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আমি মাস্তুল এর সাথে অনেকদিন ধরে জড়িত। মাস্তুলের কার্যক্রমগুলো অনেক দিন ধরে দেখছি এবং তাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করছি । মাস্তুলের উপদেষ্টা হতে পেরে আমি সত্যি আনন্দিত এবং মাস্তুলের সাথে থেকে সুবিধা-বঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করতে চাই।
উল্লেখ, মাস্তুল ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধিত দাতব্য প্রতিষ্ঠান। মাস্তুলের রয়েছে নিজস্ব স্কুল, মাদ্রাসা এবং শেল্টারহোম যেখানে আবাসিক/অনাবাসিক মিলে শতাধিক পিতামাতাহীন/ অনাথ/ এয়াতিম শিক্ষার্থী রয়েছে ।
এর বাহিরে কয়েক জেলায় প্রজেক্ট স্কুলগুলোতে হাজারের অধিক সুবিধাবঞ্চিত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সকল শিক্ষার উপকরণ দেয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্য, পুষ্টিকর খাবার, শিশু অধিকার, মৌলিক চাহিদা নিশ্চয়তা করা হচ্ছে। মাস্তুল ফাউন্ডেশনের রয়েছে সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র যার মাধ্যমে সুবিধা-বঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে কর্মক্ষম করে তোলা হচ্ছে।
এছাড়াও যাকাত স্বাবলম্বী প্রজেক্টের মাধ্যমে ৮০০ জনকে স্বাবলম্বী করে তোলা হয়েছে। এছাড়া রয়েছে দাফন-কাফন সেবা প্রজেক্ট, যার মাধ্যমে করোনার শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৩০০০ এর অধিক লাশ দাফন হয়েছে। রয়েছে মাস্তুল মেহমানখানা, যেখান থেকে শতাধিক অসহায় নিম্ন আয়ের মানুষের একবেলা পেট পুড়ে খাওয়ার ব্যবস্থা হয়।
