জগতের সকল মুহূর্তই যেখানে ক্ষণস্থায়ী, সেখানে একমাত্র ক্যামেরাই পারে দীর্ঘসময় সুন্দর মুহূর্তগুলোকে ফ্রেমে বন্দী করে রাখতে। লাভলাইফ মেমোরিজ, একটি ওয়েডিং ফটোগ্রাফি এবং সিনেমাটোগ্রাফি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। যারা আপনার মূল্যবান ক্ষণস্থায়ী বিবাহের মুহূর্তগুলোকে ফ্রেমবন্দী করে সেই সুন্দর মুহূর্তের আনন্দগুলোকে চিরকালের জন্য সতেজ রাখে।
২০১৬ সালে তিন যুবক আশিক আহমেদ, নাইমুল হোসেন দুর্জয় এবং ইশরাত সুলতানা তোহফা নিজেদের এইচএসসি পরীক্ষা শেষ করে ভার্সিটিতে ভর্তির চেষ্টার পাশাপাশি শুরু করেন নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার প্রচেষ্টা। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ৩০ জুন প্রথম লাভলাইফ মেমোরিজ বিশেষ দিনকে চিরকালের জন্য প্রিয় স্মৃতিতে রূপান্তর করার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করে।
২০১৭ সালে লাভলাইফ মেমোরিজ নিজেদের একটি প্রথম অফিস নেয় এবং ২০১৮ সালে একটি বেসরকারি লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধিত হয়। যা একটি অসামান্য প্রচেষ্টার ভিত্তি স্থাপন করে। যাত্রা শুরু থেকে ২০১৯ পর্যন্ত ৪৫০ টিরও বেশি মনোমুগ্ধকর অনুষ্ঠানের স্মৃতিচিহ্ন ধারণ করেছে এবং প্রতিটি ফ্রেমে সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তুলেছে।
২০২০ সালের করোনা মহামারিতে লাভলাইফ মেমোরিজের সবচেয়ে বিপর্যয়ের মুহূর্ত ছিল। সেই বিপর্যয় কাটিয়ে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে পরবর্তী সময়ের পরিকল্পনা করেন। জীবনের আনন্দঘন মুহূর্তগুলোকে নতুন উদ্যোগে আন্তরিকতার সঙ্গে ধারণ করতে নিজেদের টিম তৈরি করেন।
গ্ল্যামারাস ফটোগ্রাফির মাধ্যমে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজেদের জায়গা করে নিলেও লাভলাইফ মেমোরিজ ডকুমেন্টারি-স্টাইল এবং ক্যানডিড ফটোগ্রাফিও নিজেদের সমান দক্ষতা দেখিয়েছে। বর্তমানে তারা শুধুমাত্র ঢাকা সিটিতে নিজেদের সার্ভিস দিয়ে এসেছেন। চলতি বছর প্রতিষ্ঠানটি আরো কয়েকটি বিভাগীয় শহরে নিজেদের শাখা উদ্বোধন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
লাভলাইফ মেমোরিজের প্রতিষ্ঠাতা আশিক আহমেদ, নাইমুল হোসেন দুর্জয় এবং ইশরাত সুলতানা তোহফা জানান, গ্রাহকের সন্তুষ্টিই আমাদের মূল লক্ষ্য। একজন চিত্রগ্রাহকই ভাল জানেন যে কেমন এনভায়রনমেন্টে বা কালারে ছবি বেশি ফুটিয়ে তোলা সম্ভব। তাই লাভলাইফ আপনার স্বপ্নের দিনটি আরো প্রাণবন্ত করতে ওয়েডিং ফটোগ্রাফি এবং সিনেমাটোগ্রাফির পাশাপাশি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজও শুরু করেছে। এটি লাভলাইফ ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট নামে পরিচিত, যাতে করে আপনি আপনার ইভেন্টের সবকিছুই পেয়ে যান একই ছাদের নিচে।
তিন তরুণ উদ্যোক্তার প্রচেষ্টায় ২০১৬ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত লাভলাইফ মেমোরিজ একটি ছোট্ট পেজ থেকে শুরু হয়ে এখন একটি সফল ফটোগ্রাফি এবং সিনেমাটোগ্রাফি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। সময় এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লাভলাইভ মেমোরিজ লেন্সের মাধ্যমে মূল্যবান স্মৃতিগুলোকে সর্বোচ্চ যত্ন ও ভালবাসা দিয়ে চিরকালের জন্য ফ্রেমেবন্দি করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।
