বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতু (বাবুবাজার ব্রিজ) এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হওয়ার উপক্রম। কিছু কিছু জায়গায় ধরেছে ফাটল, তবে নেই কোনো সরকারি নজরদারী। প্রতিনিয়ত যানবাহন চলাচল করে এই সেতুর ওপর দিয়ে। দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলগামী মানুষের অন্যতম রুট এই সেতু। সেতু ছিদ্র করে স্টিলের পাত দিয়ে বেড়া ও লোহার খুঁটি বসিয়ে করা হয়েছে ডিভাইডার। সেতু ছিদ্র করে ঢোকানো হয়েছে প্রায় ১২ ইঞ্চি পেরেক। প্রতিটি খুঁটিতে চারটি কওে ১৬০০ পেরেক ঢোকানো হয়েছে। এতে হয়েছে সেতুর ব্যাপক ক্ষতি। সেতুর মাঝখানে দেওয়া স্টিলের ডিভাইডারের ফলে শত শত সিএনজি উল্টো পথে চলছে। এ কারণে যানজট লেগেই থাকছে। পালা দিয়ে বাড়ছে দুর্ঘটনা। প্রতিদিন সেতুর কোনো না কোনো জায়গায় সিএনজির সঙ্গে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেল আরোহী, লেগুনা ও রিকশায় থাকা মানুষ দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে। মিটফোর্ড এবং বাবুবাজারে চলাচলের সেতুর দুই সিঁড়ি দেয়াল করে কিছুদিনের জন্য বন্ধ করা হলেও পড়ে তা ভেঙে ফেলা হয়। তবে এখনো পর্যন্ত দেয়ালের ভাঙা অংশ স্তূপাকারে পড়ে রয়েছে সেখানেই। তাছাড়া সেতুর পাশাপাশি সিঁড়িগুলোও রয়েছে শোচনীয় অবস্থায়। আবর্জনা আর ধুলাবালি মিলে সচরাচরই হয়ে থাকে নোংরা অবস্থা। আর যদি কোনোভাবে পানি পড়ে বা বৃষ্টি হয় তবে খুব বেশি ভোগান্তিতে পড়ে পথচারীরা। ঢাকা সিটি করপোরেশনের অধিভুক্ত জনবহুল এই এলাকার এতটা দুর্দশা কারো দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না। এ বিষয়ে সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
তামান্না ইসলাম
বাঁকা চড়াইল, কেরানীগঞ্জ, ঢাকা
