২১ আগস্ট বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলা দিবস ২০২৩ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদ। এদিন বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের পক্ষ থেকে দুপুরে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে অস্থায়ী বেদীতে পুস্পাস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এর আগে পুরানা পল্টন মোড় থেকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ পর্যন্ত এক সন্ত্রাস বিরোধী র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র্যালি শেষে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা ও ১৯৭৫ সালের বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড অনেকাংশে সাদৃশ্য। ১৫ আগস্ট ও ২১ আগস্টের হত্যাকান্ড একইসূত্রে গাথা। মহান মুক্তিযুদ্ধের পরাজিতরা দেশীয় আন্তর্জাতিক চক্রান্তের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রথম সারির সকল নেতৃবৃন্দকে হত্যা করতে একুশ আগস্ট তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা জননেত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় ভয়াবহ বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলা করে। এই অশুভ শক্তি বারবার বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে স্তব্ধ করার অপচেষ্টা করে আসছে।
তিনি আরো বলেন, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তিনি আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তার মনোনীতদের নির্বাচিত করার জন্যে সকলকে সচেষ্ট থাকার আহ্বান জানান। তিনি ২১ আগস্টের হত্যাকান্ডে জড়িত খুনীদের সর্বোচ্চ শাস্তি অবিলম্বে নিশ্চিত করার জন্যে দাবি জানান।
আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিল, জনতা ফ্রন্টের চেয়ারম্যান দীপু মীর, বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের নির্বাহী সদস্য মোঃ মাসুদ আলম, আওয়ামী লীগ নেতা আ হ ম মোস্তফা কামাল প্রমুখ।
