বাংলাদেশের খবর রাখছেন আফগান কোচ

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০২৩, ১৬:২২

আফগানিস্তান ফুটবলের কোচ আবদুল্লাহ আল মুতাইরি খুব বেশি দিন হয়নি দায়িত্ব নিয়েছেন। চার মাস। এর মধ্যে কিরগিজস্তান ও ইরানের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ খেলে হেরেছে। এখন বাংলাদেশে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই কোচ আফগানদের দায়িত্ব নেওয়ার আগে নেপালের কোচ ছিলেন। ২০২১ সালে নেপাল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে রানার্সাআপ হয়েছে। তা ছাড়া এক সময় বাংলাদেশ ঘুরে গিয়েছেন। ঘুরতে এসেছিলেন তিনি। আবদুল্লাহ আল মুতাইরি বাংলাদেশ ফুটবলের খবর রাখেন। সাফের খেলা দেখেছেন। বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া আর্জেন্টিনার তৃতীয় বিভাগের দলে খেলতে গেছেন সেটিও জানা আছে আফগান কোচের। 

আফগানিস্তান বাংলাদেশে আসতে পারে ২৬ আগস্ট। ৪ ও ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের বিপক্ষে ফিফা প্রীতি ম্যাচ। প্রীতি ম্যাচ হলেও বাংলাদেশ সফরটি আফগানিস্তানের কাছে প্রস্তুতি ম্যাচ। তারাও অক্টোবরে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচ খেলবে মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে। বাংলাদেশকে হালকা করে দেখার সুযোগ নেই। আফগানিস্তান এপর্যন্ত আট বার ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশের বিপক্ষে। বাংলাদেশে এসে কখনো আফগানিস্তান ম্যাচ জিতে পারেনি। এবার তারা টার্গেট করছে যেভাবেই হোক সেই রেকর্ড ভাঙবে। সাফে বাংলাদেশ ভালো খেলেছে। সেটা মাথায় রেখেছেন কোচ আবদুল্লাহ আল মুতাইরি। বাংলাদেশকে বাংলাদেশের মাটিতে হারাতে পারলে সেটা হবে আবদুল্লাহ আল মুতাইরির জন্য অনেক বড় পাওয়া। এই দলের ১০ জন ফুটবলার রয়েছেন যারা বিভিন্ন দেশের ক্লাব ফুটবলে খেলে থাকেন। এই ১০ জনের মধ্যে ইউরোপের ফুটবলে খেলছেন এমন খেলোয়াড়ও রয়েছেন। যারা জাতীয় দলে খেলেন তারা আফগানিস্তানে থাকেন না। বিভিন্ন দেশে খেলেন বলে তারা বছর জুড়ে বিদেশেই থাকেন। জাতীয় দলের খেলা হলেও ঘরে ফেরেন। ক্যাম্পে ছুটে যান।

আফগানিস্তান ফুটবল এখন বাংলাদেশের চেয়ে অনেক এগিয়ে গেছে। শুধু বাংলাদেশই নয়, তারা এখন সাফেও খেলতে আসে না। অথচ ২০০৩ সালে যখন প্রথম বার সাফের তৃতীয় আসর হয় ঢাকায়, সেবার সাফে প্রথম বার নাম লেখায় আফগানিস্তান। এক ম্যাচও জেতেনি। গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচ হেরে শূন্য হাতে বিদায় নিয়েছিল, ২০০৩ সালের ঘটনা এটি। ১০ বছর পর ২০১৩ সালে নেপালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে আফগানিস্তান চ্যাম্পিয়ন হয়। সেবারই তারা জানিয়ে দেয় আর নয় সাফ। এরপর আর তারা সাফেও খেলতে আসেনি।

ইত্তেফাক/জেডএইচ