মাধবপুর উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের ৪ বছরের শিশু বায়েজিদকে হত্যার অভিযোগে সৎ মা পান্না খান ও বাবা জুনায়েদ মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে ।
স্থানীয়রা জানায়, নারায়ণপুর গ্রামের জুনায়েদ মিয়ার সাথে বিয়ে হয় একই উপজেলার শ্রীধরপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের মেয়ে নিলুফা আক্তারের । বায়েজিত নামে তাদের এক পুত্র সন্তান জন্মের ২ বছর পর ওই দম্পতির বনিবনা না হওয়ায় ছাড়াছাড়ি হলে নিলুফা শ্রীধরপুরে বাবার বাড়িতে চলে যায়। পরে জুনায়েদ আবার বিয়ে করে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার পান্না খানকে। এরপর থেকে জুনায়েদ ও সৎ মা পান্না খানের সাথে থাকতো শিশু বায়েজিদ।
আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে র্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ধর্ষণ মামলার আসামি নিহত
নিলুফা জানায়, গত মঙ্গলবার দুপুরে বায়েজিদ অসুস্থ খবর পেয়ে এসে দেখে কাফন পড়ানো। বায়েজিদের মুখ দেখতে দেয়নি বাড়ির লোকজন। পরে পুলিশের সহযোগিতায় কাফন খুলে বায়েজিদের মুখে ও গলায় দাগ দেখতে পেয়ে তার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। বুধবার দুপুরে নিলুফা আক্তার মাধবপুর থানায় শিশু বায়েজিদকে শ্বাসরোদ্ধ করে হত্যার অভিযোগে ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
মাধবপুর থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জানান, শিশু বায়েজিদের মা নিলুফা আক্তার বায়েজিদকে হত্যার অভিযোগে মাধবপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত জুনায়েদ মিয়া ও পান্না খানকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ইত্তেফাক/এমআরএম
