অনাবৃষ্টি ও অব্যাহতভাবে চলতে থাকা খরায় চলতি মৌসুমে রোপা আমন ধান আবাদকে কেন্দ্র করে ক্ষতির শঙ্কায় রয়েছেন ফরিদপুরের সদরপুরের কৃষকরা।
এদিকে, জ্বালানি তেল, রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের মূল্যবৃদ্ধির ফলে সেচ ও অধিক ফলন পেতে রাসায়নিকের ব্যবহারে তাদের বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে। পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হলে খরচের খাতা আরও দীর্ঘ হতে পারে বলে মনে করছেন ধান চাষিরা।
উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ধান চাষি শেখ জুলহাস বলেন, বর্তমানে সব কিছুর মূল্য বৃদ্ধির কারণে ধান চাষে খরচ বেড়ে গেছে। পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় সেচের জন্য বাড়তি খরচ করতে হচ্ছে। প্রতি বিঘা জমিতে ধান চাষে চলতি বছর প্রায় ২০ হাজার টাকারও বেশি খরচ হতে পারে।
ভাষাণচর ইউনিয়নের চাষি মো. ইয়াকুব আলী বলেন, বর্তমান প্রতি মণ ধানের বাজার দর প্রায় ১০০০-১১০০ টাকা। কিন্তু ধান ওঠার পরে বাজার মূল্য আরও কমে যাবে। এর ফলে চলতি বছর ধান চাষে ক্ষতির আশঙ্কা প্রবল।
কৃষ্ণপুর বাজারের ধান ব্যবসায়ী ও চাল কল মালিক অভিজিৎ রায় সাহা বলেন, বর্তমানে বাজারে প্রতি মণ রোপা আমন ধানের মূল্য ১১০০ টাকা। ধানের মৌসুমে দাম আরও কমবে। তখন প্রতি মণ ধান ১ হাজার টাকায় দাড়াবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার চাষিদের থেকে ১২০০ টাকা মণ দরে ধান সংগ্রহ করছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিটল রায় বলেন, চলতি বছর উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে প্রায় ৫৬০০ টাকায় ৩০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর ১ মণ ধানে উৎপাদন ছিল ৮০০ টাকা। যা চলতি বছর বেড়ে ১০০০ টাকায় উন্নীত হতে পারে।

