পিরোজপুর অফিস
পিরোজপুরে পৃথক দুটি হত্যা মামলায় আদালত দুজনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার পিরোজপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এক তরুণীকে অপহরণ করে হত্যার দায়ে একজনকে ফাঁসির আদেশ দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত হচ্ছে জেলার নেছারাবাদ উপজেলার আটঘর গ্রামের সুধীর রঞ্জন মন্ডলের ছেলে লিটন মন্ডল (৩৪)। এদিকে বুধবার পিরোজপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. আব্দুল মান্নান পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় সবুজ (১২) নামে এক কিশোরকে হত্যার দায়ে আমির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন।
মামলার রায়ে জানা গেছে, লিটন মন্ডল ২০০৯ সালের ১৪ মে বাগেরহাটের কচুয়ার আন্ধারমানিক গ্রামের সুভাষ চন্দ্র দেউড়ীর মেয়ে কলেজছাত্রী ঝর্ণা রানী দেউড়ীকে অপহরণ করে। ১৭ মে বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সন্ধ্যা নদী থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ওই তরুণীর বাবা বাদি হয়ে মামলা করেন। লিটন মন্ডল পলাতক থাকায় আদালত তার অনুপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করে।
অপর মামলার রায়ে জানা গেছে, ২০১০ সালের ৭ জুলাই মো. সবুজকে মঠবাড়িয়া পৌর এলাকার ৭নং ওয়ার্ডের একটি মসজিদের ঘাট থেকে আমির হোসেন শাখারিকাঠী গ্রামে নিয়ে যান। এরপর হত্যা করে লাশ বস্তাবন্দি অবস্থায় একটি পুকুরে ফেলে দেয়। ৯ জুলাই তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ব্যাপারে নিহতের মা খাদিজা বেগম বাদি হয়ে থানায় মামলা করেন। বিচারক আমির হোসেনের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করে।
