চাকরির যোগ্যতা যখন মিথ্যা বলা

আপডেট : ২৮ জুন ২০১৯, ২২:১০

মিথ্যা বলা মানুষ পছন্দ করে না। কিন্ত কখনো কখনো সুন্দর করে মিথ্যা বলতে পারা কোনো কোনো চাকরির ‘যোগ্যতা’ হিসেবে বিবেচিত হয়! এগুলো তাদের পেশার অংশ। তবে মিথ্যাগুলো বলতে হবে বিশ্বাসযোগ্যভাবে। যেমন ধরুন বিভিন্ন কোম্পানির অনলাইন কিংবা অফলাইন সেলসম্যানদের কথা। কাস্টমার ধরতে তাদের নিজেদের পণ্যের গুণমাণের কথা বাড়িয়ে বলতে হয়। বিভিন্ন বীমা কোম্পানি কিংবা একই ধরনের সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদেরও কখনো কখনো গুছিয়ে তাদের সেবার কথা এবং সুবিধার কথা বাড়িয়ে বলতে হয় কাস্টমারকে রাজি করাতে।

এয়ারহোস্টেসের চাকরিটাও অনেকটা এরকম। প্লেনে আপনি কোনো ঝড়ঝাপটার কবলে পড়ে মৃত্যুঝুকিতেও থাকলেও বিমানবালারা সেটা আপনাকে বুঝতে দেবেন না। তাদের হাসিমুখে থাকতে হবে যেন ‘কিছুই হয়নি’। নতুন এক গবেষণায় পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, কোনো কোনো পেশায় মিথ্যা ভালো বলার কারণেই টিকে থাকা যায়।  ৫০০ জনের মধ্যে চালানো এক জরিপে মিথ্যা বলতে পারেন এমন মানুষকে বড় বিপণন কাজের জন্য বেছে নিতে চেয়েছেন ৮০ শতাংশ উত্তরদাতা।

এর বাইরে ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট, বারটেন্টার বা মনোবিদ, তারা কোনো খারাপ খবর সরাসরি কাউকে দেন না। কিছু মিথ্যা আছে যেগুলো আমাদের ক্ষতি করে না কিন্তু ব্যাপারটা সত্যও নয়। পরীক্ষায় খারাপ রিপোর্ট এলে অনকোলজিস্ট বা টিউমার বা ক্যান্সারের চিকিত্সক আপনাকে সেটা না জানিয়ে বলবেন, ভালো এসেছে রিপোর্ট। সেটাও তাদের পেশার অংশ।