দিল্লির লাল কেল্লা পরিদর্শনে বাংলাদেশি সাংবাদিক প্রতিনিধি দল

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২৩, ১৫:৩৯

মুঘল সাম্রাজ্যের অন্যতম নিদর্শন দিল্লির রেড ফোর্ট বা লাল কেল্লা পরিদর্শন করেছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণে ভারত সফররত বাংলাদেশী সাংবাদিক প্রতিনিধি দল।

মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে ভারতের স্বাধীনতা ও সংগ্রামের ইতিহাস জড়িয়ে থাকা ও বিশ্ব মানচিত্রের ইতিহাসে স্থান করে নেয়া এই স্থানটি পরিদর্শন করেন ২৮ সদস্যের দলটি।

ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি প্রেস অফিসার শিলাদিত্য হালদারের নেতৃত্বে পরিদর্শনকালে বাংলাদেশী সাংবাদিকদের নেতৃত্বে দেন জনকণ্ঠের সম্পাদক ওবায়দুল কবির মোল্লা ও ডিবিসি নিউজের প্রণব সাহা।

 ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অবস্থিত এই লাল কেল্লাকে ঘিরে আছে অনেক ইতিহাস ও ঐতিহ্য। এই কেল্লা এবং তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা নানা গল্প আজও ঐতিহাসিকদের অবাক করে দেয়।

 ১৬৩৮ সালে সম্রাট শাহজাহান এই কেল্লাটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। প্রথম দিকে এর নাম ছিল কিলা-ই-মুবারক। কারণ এই দুর্গে সম্রাটের পরিবারবর্গ বাস করতেন। দুর্গটি যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত। এই নদীর পানিতে পুষ্ট হতো দুর্গের পরিখাগুলো।

লাল কেল্লা সপ্তদশ শতাব্দীতে মুঘল সম্রাট শাহজাহান দিল্লিতে নির্মাণ করেন। এটা বিশাল প্রাচীর বিশিষ্ট একটি দুর্গ। ১৮৫৭ সাল পর্যন্ত এই দুর্গটি ছিল মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে। অপূর্ব নির্মাণশৈলীর লাল রঙের বিশাল এ স্থাপনাটি মুঘল স্থাপত্য ও চিত্রকলার উৎকর্ষের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।

ইতিহাসে মোড়া সৌন্দর্য্যের ধারক এই স্থাপনাটি পরিদর্শনে তাইতো সারাবিশ্বের হাজারো মানুষ প্রতিদিন আসে লাল কেল্লাতে আর মুগ্ধতা নিয়ে ফিরে যায়। আর ভারত সরকার যেভাবে এই স্থাপনাগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করছেন তার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন সফররত বাংলাদেশী সাংবাদিক প্রতিনিধি দল।

ইত্তেফাক/এএইচপি