জামায়াত-বিএনপির সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে রাজশাহীর বাঘায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ। শনিবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকায় সমাবেশের নামে পুলিশকে উদ্দেশ্য করে ককটেল নিক্ষেপ ও নৈরাজ্যের ঘটনার প্রতিবাদে তারা এ কর্মসূচি পালন করেন।
শনিবার (২৮ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বাঘা সদরে অবস্থিত দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করে উপজেলা আওয়ামী লীগ।
মিছিলটি পৌর এলাকার প্রধান-প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে যথাস্থানে এসে মিলিত হয়। সেখানে সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল বলেন, দেশ থেকে পলাতক কুলাঙ্গার ও খুনি তারেক জিয়ার নির্দেশে বিএনপি-জামায়াত আবার মাঠে নেমেছে। তারা ২০১৩-১৪ সালের মতো দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে চাই। এ জন্য তারা পুলিশের ওপর হামলা করেছে, এটা কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না।
তিনি বলেন, যারা জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করে। পেট্রোল বোমা ও আগুন দিয়ে চলন্ত গাড়ি, বাস, ট্রেন, লঞ্চ, মাইক্রো জালিয়ে দেয়। তাদের ভয়ংকর রূপ আমরা আর দেখতে চাই না। আমরা আমাদের দলীয় প্রধান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ পেলে এর দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিতে পারি। কিন্তু আমাদের প্রিয় নেত্রী সে নির্দেশ না দিয়ে বরং সবাইকে শান্ত ও সতর্ক থাকার আহবান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে বিএনপি-জামায়াত যেনো দেশের ক্ষতি করতে না পারে সে জন্য সবাইকে সোচ্চার হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
বাবুল ইসলাম বলেন, একই নির্দেশ দিয়েছেন চারঘাট-বাঘা থেকে তিন তিন বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। তাই আমরা বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগ স্থানীয় জামায়াত-বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই, আপনারা অহেতুক কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হবেন না। আর যদি হন, তাহলে পুলিশের প্রয়োজন হবে না। আপনাদের সন্ত্রাস নৈরাজ্য মোকাবেলা করার জন্য আমরা নিজেরাই যথেষ্ট।
উক্ত মিছিল ও সমাবেশে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সিরাজুর ইসলাম মন্টু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াহেদ সাদিক কবির, বাঘা পৌর সভার সাবেক প্যানেল মেয়র শাহিনুর রহমান পিন্টু, সব ইউপি চেয়ারম্যান, সব ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নারী ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা খাতুন লতা, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন মিল্টন, বাঘা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব হোসেন, উপজেলা ছাত্র লীগের সভাপতি সোহানুর রহমান সোহাগ ও উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগসহ সব সহযোগী সংগঠনের নেতারা।
