রাজধানীর মহাখালীর খাজা টাওয়ারে গত ২৬ অক্টোবর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে সাইফ পাওয়ার টেক লিমিটেড। এতে প্রতিষ্ঠানটির একজন কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। ভবনটির একাধিক ফ্লোরে প্রতিষ্ঠানটির অফিস রয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সাইফ পাওয়ার টেক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ওই ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সাইফ পাওয়ারের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ই-ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের প্রকল্প সমন্বয়ক রফিকুল ইসলামের মৃত্যু হয়। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আমিনুজ্জামামসহ আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।
আহতরা হলেন-সেফটি অফিসার গোলাম রাব্বানী, এজিএম নাজমুল হাসান, হিসাব বিভাগের নূর হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, প্রশাসন বিভাগের সুফী সাব্বির আহমেদ, সিনিয়র ম্যানেজার মনিরুল ইসলাম, গোলাম রাব্বানী, অফিস এক্সিকিউটিভ নিজাম উদ্দিন, এইচআর এক্সিকিউটিভ কায়সার আরাফাত এবং নিরাপত্তা প্রহরী তারিকুল, শাকিল, আনোয়ার ও মামুন।
আহতরা সবাই বর্তমানে ঝুঁকিমুক্ত রয়েছেন। ইতিমধ্যেই পরিচালক আমিনুজ্জামান ও বিদেশি ক্রয় কর্মকর্তা গোপাল সরকার ছাড়া সবাই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন।
সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, একাধিক ফ্লোরে সাইফ পাওয়ারের অফিসগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) জানান, ক্ষয়ক্ষতি এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। পুড়ে যাওয়া ধ্বংসের স্তূপের কারণে ক্ষয়ক্ষতির হিসাবে কিছুটা সময় লাগছে।
উল্লেখ্য, প্রায় ২৭ বছর ধরে দেশে ব্যবসা করছে সাইফ পাওয়ার টেক লিমিটেড। চট্টগ্রাম ও দুবাইয়ের বন্দরের মালামাল হ্যান্ডেলিং, নদী খনন, ব্যাটারি, বিদ্যুৎ উৎপাদন, পুনঃনবায়নযোগ্য জ্বালানি, এলইডি লাটিং সল্যুশন ও ফার্মাসিউটিক্যালসের প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদনসহ নানা ব্যবসা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।
