‘পুলিশ আসার আগেই আসামিরা খবর পায়’

সিংগাইরে হামলার ঘটনায় মামলা

আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০২৩, ০৭:০০

‘আমাদের আগেই আসামি পুলিশ আসার খবর পায়। ফলে এলাকায় থাকলেও আসামি খুঁজে পাওয়া যায় না। বর্বরোচিত হামলার শিকার আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে গুরুতর অবস্থায় আছে। মামলা তুলে নেওয়ার জন্যও হুমকি দিচ্ছে। ইতালি প্রবাসী ১ নম্বর আসামি আব্দুস সামাদ দেশ ছাড়ার পথ খুঁজছে।’ এমনটাই বললেন গত ১৪ অক্টোবর সিংগাইর থানায় দায়ের করা মামলার বাদী উপজেলার মেদুলিয়া গ্রামের হযরত আলী ও তার বেয়াই অ্যাডভোকেট মো. আমিনুল হক খান। তবে তদন্ত কর্মকর্তা থানার এসআই আব্দুল জলিল বলেন, পুলিশ আসার খবর পাওয়ার বিষয়টি তার জানা নেই। সামাদকে ধরার সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।

মামলার এজাহারে হযরত আলী উল্লেখ করেন, জমিসংক্রান্ত বিষয়ে এলাকার ইতালি প্রবাসী আব্দুস সামাদ গং ১২ অক্টোবর বাড়িতে এসে তাকে হত্যার ঘোষণা দিলে তার মেজো ছেলে শেখ ওমর ফারুক ওরফে রতন ঘর থেকে বের হয়। এ সময় তারা তাকে স্টিলের পাইপ দিয়ে মাথায় আঘাত করে। একপর্যায়ে তার বাঁ হাতের কবজি ভেঙে যায়। এরপর তাকে মাটিতে ফেলে পিটিয়ে গামছা দিয়ে গলায় প্যাঁচ দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালায়। ছোটভাই শেখ ফরহাদ তাকে উদ্ধার করতে গেলে একই কায়দায় তার মাথায় আঘাত করা হয়।

ছেলেদের চিত্কারে তাদের বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তাদের মা রেহেনা বেগমকে লোহার রড দিয়ে ও ছ্যানা দিয়ে মাথায় কুপিয়ে বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানি ঘটায়। মাথায় অস্ত্রোপচার করার পর রেহেনা বর্তমানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। বেড়াতে আসা শেখ ফরহাদের শ্যালক মেদুলিয়া গ্রামের তশরিফ আমিন খানকেও তারা রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে গলা টিপে ধরে। ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করলে তার বাঁ চোখ গুরুতর জখম হয়। জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চোখের অপারেশনের জন্য তার চিকিত্সা চলছে।

ইত্তেফাক/এএইচপি