রোববার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

ন্যাম সম্মেলনে ব্যারিস্টার মিতি সানজানা

আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০২৩, ১৪:৩৭

জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (ন্যাম) সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মিতি সানজানা। তিনি আজারবাইজান সরকারের রাষ্ট্রীয় অতিথি হয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।

উন্নয়নশীল ১২০টি দেশের ফোরাম ন্যামের দুই দিনের সম্মেলনটি গত ২০ ও ২১ নভেম্বর আজারবাইজানের রাজধানী বাকুর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়।

এবারের ন্যাম সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল 'NAM Conference: Advancing the Rights and Empowering women'। এতে নারী অধিকার ও নারীর ক্ষমতায়নের প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়। সেই সঙ্গে বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ন্যামের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মিলিত প্রচেষ্টার ওপর আলোকপাত করা হয়।

অনুষ্ঠানস্থলে আজারবাইজানের নারী, শিশু ও পরিবারবিষয়ক মন্ত্রী বাহার মুরাডোবা, ন্যামভুক্ত রাষ্ট্রের মন্ত্রী এবং ন্যাম নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এতে অংশ নেন উজবেকিস্তানের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী, জিম্বাবুয়ে, বেলারুশ, উগান্ডার নারী ও জেন্ডার বিষয়ক মন্ত্রী।

ন্যাম নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন ব্যারিস্টার মিতি সানজানা। সম্মেলন তিনি একজন আলোচক হিসেবে বাংলাদেশের নারীদের অধিকার, উন্নয়ন এবং নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদানের কথা তার বক্তব্যে তুলে ধরেন। একই প্যানেলে বক্তব্য রাখেন জিম্বাবুয়ের নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী এমনগি বেটি ওনগম। সম্মেলনে প্রতিনিধিরা বাকুতে আজারবাইজানের দূত হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত নারী, শিশু ও পরিবারবিষয়ক মন্ত্রী বাহার মুরাডোবার নৈজভোজে অংশ নেন।

ন্যাম বিশ্বের ১২০টি উন্নয়নশীল রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত একটি ফোরাম, যা বড় কোনো পাওয়ার ব্লকের সঙ্গে বা বিপক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে সংযুক্ত নয়। জাতিসংঘের পর এটি বিশ্বব্যাপী রাষ্ট্রগুলোর বৃহত্তম সংগঠন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহেরু ও সাবেক যুগোস্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট জোসেফ টিটোর উদ্যোগে ১৯৫৫ সালে বান্দুং সম্মেলনে সম্মত নীতিমালা প্রণয়নের পর ১৯৬১ সালে যুগোস্লাভিয়া বেলগ্রেডে ন্যাম প্রতিষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ন্যামের সদস্য পদ লাভ করে। সে বছরই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ন্যামের চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে। ন্যাম সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু দ্বীপ্তকণ্ঠে বিশ্বব্যপী নির্যাতিত ও শোষিত মানুষের পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেছিলেন। তিনি শোষিত মানুষের পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান ব্যক্ত করে একটি শান্তিপূর্ণ ও শোষণমুক্ত পৃথিবী নির্মাণে ন্যামের সদস্য রাষ্ট্রসমূহকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

ইত্তেফাক/এসকে