বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

সম্পত্তিতে অধিকার পাবেন ট্রান্সজেন্ডার সন্তানরা

  • খসড়া চূড়ান্ত, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই সুরক্ষা আইন 
আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ২১:৫২

‘ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন-২০২৩ ’শীর্ষক আইন ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই পাস করা হবে বলে জানান সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. খায়রুল আলম শেখ। তিনি বলেন, নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে পাস করারা জন্য আমরা কাজ করছি। এক বছরের মধ্যে আইনটি করার জন্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং সরকার চায় এই বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার আদায় হোক। তাই এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের সহযোগিতায় ইতিমধ্যে সমাজসেবা অধিদপ্তরের নেতৃত্বে এর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের দ্বারা গঠিত একটি কমিটি আইনের খসড়া চূড়ান্ত করেছে। এখন কিছু পরিমার্জন ও পরিবর্ধনের কাজ বাকি আছে। একই সঙ্গে তিনি এই আইনটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য এই কমিটিকেই একটি বিধি করার সুপারিশ করেন। কারণ আইন হলেও আইনের বিধি না থাকলে আইন কার্যকর হয় না। 

মঙ্গলবার নগরীর একটি হোটেলে ‘ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তির অধিকার সুরক্ষা ও সুরক্ষা আইন-২০২৩’-এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবু সালেহ্ মোস্তাফা কামাল।

অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের সিনিয়র সোশ্যাল ডেভেলপম্যান্ট অফিসার (জেন্ডার) নাসিবা সেলিম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের সামাজিক নিরাপত্তা পরিচালক ও ‘ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন-২০২৩’-এর খসড়া প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক ডা. মোহাম্মদ মোকতার হোসেন। অনুষ্ঠানে আইনের ওপর দুটি উপস্থাপনা করেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের সামাজিক নিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক এম এম মাহমুদুল্লাহ এবং সামাজিক কার্যক্রম পরিচালক মোহাম্মদ আসাদুজ্জমান।

ড. আবু সালেহ্ মোস্তাফা কামাল বলেন, আইন হলে ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তি সমাজে, পরিবারে তাদের অধিকার আদায় হবে। সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার অধিকার প্রতিষ্ঠা পাবে। মৃত্যুর পরে তাদের সৎকার নিয়ে জটিলতা দেখা দেয় তা দূর হবে। তাদের স্বাস্থ্যসেবা শিক্ষা, কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের প্রতিবন্ধকতা দূর হবে। এসডিজির লক্ষ্য কাউকে পেছনে ফেলে নয়, সবাইকে নিয়ে টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। 

অনুষ্ঠানে জানানো হয় খসড়া চূড়ান্ত হলে, সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডার ও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে সমাজসেবা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে আইনটি দেওয়া হবে। সেখানে থেকে মন্তব্য গৃহীত হলেই আইনটি পাসের জন্য তৈরি হবে।

ইত্তেফাক/এএএম