চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। বুধবার (২০ ডিসেম্বর) বিকাল ৪টার দিকে উপজেলা প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়, জাতীয় পার্টির সীতাকুণ্ড উপজেলা শাখার সভাপতি রেজাউল করিম বাহারের সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম (সীতাকুণ্ড)-৪ আসনের জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মো. দিদারুল কবির দিদার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে প্রেস ক্লাব থেকেই নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে।
লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী দিদার বলেন, আমরা বিরোধী দল হিসাবে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবো। আপনাদের প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেই আমার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলাম।সীতাকুণ্ডবাসী আমাকে আগামী ৭ জানুয়ারি ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে আমার প্রথম কাজ হবে আমি মহান সংসদে দাঁড়িয়ে সীতাকুণ্ডকে বিশ্বের দরবারে পরিচিতি করানোর জন্য নিম্নউল্লেখিত কাজগুলো তুলে ধরব। ১. সীতাকুণ্ডের সমুদ্র এলাকাকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলা।এতে এলাকার বেকার যুবকদের বিপুল কর্ম-সংস্থানের সুযোগ হবে। এ অঞ্চলে অবস্থিত মিল-কারখানাগুলোতে আমার উপজেলা শিক্ষিত-অশিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্ম-সংস্থানের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করব। এমন কি শিক্ষা খাতকে আরও উন্নত করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাব। তা ছাড়া সীতাকুণ্ড অঞ্চলের হিন্দু এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মঠ, মন্দির ও গীর্জাগুলোকে আধুনিক মডেলে সংস্কার করে গড়ে তোলা হবে, যাতে দূরদূরান্ত থেকে আগত বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকজন এগুলো দেখে আকৃষ্ট হয় এবং পর্যটন কেন্দ্রেও যেন পরিণত হয়। অপরদিকে এ এলাকার জনগণের গ্রাম্য অঞ্চলে যাতায়াতের সুবিধার্থে সিএনজি চালকদের মহাসড়কের পাশে গাড়ি চলাচলের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে সঙ্গে যোগাযোগ করে আলাদা রাস্তা বা সড়ক করার চেষ্টা করা হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রার্থী দিদার জানান, সরকার ও নির্বাচন কমিশন বলেছে, নির্বাচন সুষ্ঠ হবে।আর যদি নির্বাচন সুষ্ঠ না হয়, তাহলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবেন হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেন। পরে মতবিনিময় শেষে প্রেসক্লাব থেকে বেরিয়ে পৌরসদরের পুরো বাজারে নির্বাচনী প্রচারণা চালান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির সহসভাপতি নুরুন্নবী, উপজেলা শাখার সহসভাপতি ওমর ফারুক হোসাইনী, উপজেলা সেক্রেটারি রফিকুল আলম রফিক, সহসাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম, পৌরসভা সেক্রেটারি ফসিউল আলম ভূঁইয়া, সহসাধারণ ফসিউল আলমসহ শত শত নেতা-কর্মীরা।
