সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

শাওনের ‘বিজ্ঞানপ্রিয়’

আপডেট : ২২ ডিসেম্বর ২০২৩, ০০:৪৬

‘কবরে কিছু মৃতদেহ কীভাবে অক্ষত থাকে?’, ‘আচ্ছা আমি কেন আমার বাবা-মাকে রক্ত দিতে পারব না?’ আপনার মনে এই ধরনের বিজ্ঞানকেন্দ্রিক প্রশ্ন জাগলে আপনি কোথায় জিজ্ঞেস করে কৌতূহল মেটান?

গুগলে হয়তো সব প্রশ্নেরই উত্তর পাওয়া যায়, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উত্তরগুলো নির্ভরযোগ্য হয় না। নির্ভরযোগ্য গবেষণামূলক উত্তর খোঁজা খুব সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। ২০১৮ পর্যন্ত এই বিষয়টি নিয়ে সেভাবে কেউ না ভাবলেও, ভেবেছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষে পড়ুয়া পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র মুহাম্মাদ শাওন মাহমুদ।

পাঠ্যবইয়ের বাইরে আনাচে-কানাচে লুকনো অসংখ্য প্রশ্ন কৌতূহল জাগাতো তার মনে। অধিকাংশেরই উত্তর পেতেন না খুঁজে। সেই প্রয়োজনেই বিজ্ঞানের কৌতূহল মেটানোর জন্য অনলাইন-ভিত্তিক একটি উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরির প্রয়াসে ২০১৮ সালের ১লা ডিসেম্বর, ডক্টর কুদরাত-ই-খুদা’র জন্মবার্ষিকীতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বিজ্ঞানের ওপেন-ফোরাম প্ল্যাটফর্ম ‘বিজ্ঞানপ্রিয়’। যা অল্প সময়েই বাংলা ভাষায় উন্মুক্ত বিজ্ঞান আলোচনা ও  ‘নলেজ-শেয়ারিং’-এর এক নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হয়ে ওঠে।

৬ মাসে বিজ্ঞানপ্রিয়’র ফেসবুক গ্রুপে প্রায় ১ লক্ষ বিজ্ঞানপ্রেমী যুক্ত হয় এবং ২০২২ সাল নাগাদ সংখ্যাটি গিয়ে ঠেকে প্রায় ১০ লক্ষে। মেটা'র হিসাব অনুযায়ী ২০২২ পর্যন্ত গ্রুপটিতে প্রায় ১৫০,০০০+ বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়। ২০২০ সালে বিজ্ঞানপ্রিয়-র কার্যক্রম আরো বর্ধিত করেন শাওন। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞান ও টেকনোলজি ভিত্তিক বিভিন্ন বিষয়ের ওপর ভিডিও ডকুমেন্টারি নির্মাণ শুরু করেন তিনি।  ইন্টারনেটে নানা গুজব, অপবিজ্ঞানের বিরুদ্ধে যুক্তিখণ্ডনের তীর্থস্থান যেন বিজ্ঞানপ্রিয়।

 

ইত্তেফাক/এসটিএম

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন