পাঠ্যপুস্তকে শিক্ষার্থীদের মানসিক অবস্থা বিবেচনায় নিন :শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট : ০১ জুলাই ২০১৯, ২২:২৬

ইত্তেফাক রিপোর্ট

শিক্ষার্থীদের মানসিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) অন্যান্য সরকারি অফিসের মতো কোনো প্রতিষ্ঠান নয়। এটি একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান। এখানে যারা চাকরি করেন তাদের দায়িত্বশীল হতে হবে। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষাক্রম নির্ধারণ করা হয়। শিক্ষাক্রম নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে কনটেন্ট যুগোপযোগী হতে হবে, বিষয়বস্তু অবশ্যই চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবিলা করার মত উপযোগী হতে হবে। শিক্ষার্থীদের মানসিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন করতে হবে। বিনোদনের মাধ্যমে যে শিক্ষা দেওয়া হয় তা খুবই টেকসই হয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

গতকাল সোমবার মতিঝিলে এনসিটিবি’র সম্মেলন কক্ষে ২০১৯-২০২০ সালের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির বাধ্যতামূলক বই, বাংলা সাহিত্য পাঠ, বাংলা সহপাঠ ও ইংরেজী বইয়ের বাজারজাতকরণের উদ্বোধন করেন।

এনসিটিবি চেয়ারম্যান প্রফেসর নারায়ণ চন্দ্র সাহার সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মুন্সী শাহাবুদ্দীন প্রমুখ।

মহিবুল হাসান চৌধুরী সরকারের অর্জনের সহযোগী হতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান। এবার বাজারে ৩০ লাখ বইয়ের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে ২০ লাখ বই দেশের ৬৪টি জেলার ৪ হাজার বইয়ের দোকানে সরবরাহ করা হয়েছে বলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।