‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’

আপডেট : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৮:৫৯

ভালো করে কান পাতলে কিন্তু এ রকম প্রত্যয়ের কথা এখানে-ওখানে এখনই শুনতে পাওয়া যায়। রাষ্ট্রের কর্তৃত্বকে চিরকাল আপন অধিকারে রাখার জন্য দেশের সকল মানুষের জীবনকে যারা দুর্বিষহ করে রাখছে, জনগণ তাদের সম্পর্কে ক্রমেই মোহমুক্ত হয়ে উঠছে। সেই মোহমুক্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষদের ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত হতে কিছুটা সময় অবশ্যই লাগবে। তবে সেটি খুব বেশি সময় নয়।

‘ও রা ভয় দেখিয়ে করছে শাসন, জয় দেখিয়ে নয়’—কবি যদিও বিদেশি শাসকদের সম্পর্কেই কথাটা বলেছিলেন, তবু দেশি-বিদেশি সব শাসকের ক্ষেত্রেই কথাটি প্রযোজ্য। মার্কসবাদীরা যে রাষ্ট্রকে বলেন ‘দমনের যন্ত্র’, দমন তো নাগরিকদের ভয়গ্রস্ত রেখেই করা হয়ে থাকে। শুধু রাষ্ট্রের কথাই-বা বলি কেন? ভয় তো সূচিত হয় পরিবার থেকেই। পরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্যরা কনিষ্ঠদের ভয়ের বাঁধনেই বেঁধে রাখতে চান। শিশুদের ভূতের ভয় দেখিয়েই তাদের শৈশবসুলভ চাপল্যকে বাগে আনতে চেষ্টা করা হয়ে থাকে। আমরা যে অকুতোভয় পাকিস্তানি বালিকা মালালা ইউসুফজাইকে একান্ত প্রশংসায় অভিষিক্ত করে চলছি, সেই মালালাও নাকি ভূতকে ভয় পায়। পত্রিকায় পড়েছি, ভারতের কোনো একটি সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে মালালা বলেছে যে, তালেবানদের নতুন হুমকিতে সে আর ভয় পায় না, তবে ভূতের ভয় তার আছে। মালালার বয়স কম। ভবিষ্যতে ভূতের ভয় সে জয় করতে পারবে কি না, জানি না। আমরা তো দেখেছি, অনেক যুবক ও বৃদ্ধও ভূতের ভয়কে সহজে জয় করতে পারে না। অনেকের সত্তার ভেতরেই এই ভূতের ভয় অনপনেয়রূপে জড়িত মিশ্রিত হয়ে থাকে। মানুষ মরে ভূত হয়, এমন বিশ্বাস হয়তো অনেকেই এখন পোষণ করে না। তবু তাদের ভূতের ভয় থেকে পরিত্রাণ ঘটছে না। রাতের অন্ধকারে কিংবা বিশেষ কোনো দুর্বল মুহূর্তে তারাও ভূতের ভয়ে শিউরে ওঠে।

শুধু এ রকম ভূতই নয়। আরো অনেক রকম ভূত সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে আছে। বলা উচিত, ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সমাজ ও রাষ্ট্রের কর্তৃত্বশীল শক্তিই তা ছড়িয়ে দিয়েছে, এবং অনবরত ছড়িয়ে দিয়েই যাচ্ছে। একটু আগেই দমনের যন্ত্র রাষ্ট্র সম্পর্কে বলছিলাম। পাকিস্তান নামক একটি রাষ্ট্রের যখন অধিবাসী ছিলাম, তখন যেসব ভূতের ভয় দেখিয়ে আমাদের সদা সন্ত্রস্ত রাখা হতো, সেই পাকিস্তানকে বিদায় দিয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেও সেই ভূত ও ভূতের ভয় থেকে আমরা মুক্তি পাইনি। বাংলাদেশের ঘাড়েই তো পাকিস্তান ভূত হয়ে চেপে বসেছে। সেই ভূত প্রতিনিয়ত ধর্ম নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় দেখায়। সেই ভয়েই বাংলাদেশের শাসকগোষ্ঠীও সদা কম্পমান। এ গোষ্ঠীর সকলেই ভূতকে সন্তুষ্ট রাখার নানা উপায়ের খোঁজ করেন। এরাই অগণিত শহিদের রক্তের অক্ষরে লেখা রাষ্ট্রীয় সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতাকে লোপাট করে দিয়ে ‘রাষ্ট্রধর্মের’ প্রবর্তন করেছেন। এরাই ধর্মরাষ্ট্র-প্রতিষ্ঠাকামী পাকিস্তানের ভূতদের সাহস বাড়িয়ে দিয়েছে।

একালের কথা আপাতত স্থগিত রেখে সেকালের দিকে একটু দৃষ্টি ফেরাতে চাই। সেকালের ভারতবর্ষে ব্রাহ্মণরা যে শাস্ত্র তৈরি করেছিল, তার প্রায় সর্বাংশই ছিল ভয় দিয়ে ঠাসা। প্রতিনিয়ত পাপের ভয় দেখিয়ে ব্রাহ্মণ্য শাস্ত্র করে সংখ্যাগরিষ্ঠ ক্ষুদ্র জনতাকে নতশির হয়ে থাকতে বাধ্য করেছিল। আবার সে সময়েই ভয়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধও গড়ে উঠেছিল। লোকায়ত দর্শনের প্রবক্তাগণ ব্রাহ্মণদের তৈরি শাস্ত্রবচন প্রত্যাখ্যান করে সকলকে ভয়মুক্ত করতে চেয়েছিলেন। আবার ব্রাহ্মণ্যধর্মের অভ্যন্তর থেকেও একধরনের অভয়বাণী উচ্চারিত হয়েছিল। বলা হয়েছিল, ‘সর্বং খশ্বিদং ব্রহ্ম’—অর্থাত্ সমস্ত বিশ্বই ব্রহ্ম, ব্রহ্মের বাইরে কিছুই নেই। তাই প্রতিটি মানুষও বলতে পারে, ‘আমিই ব্রহ্ম’। আধুনিককালে অর্থাত্ উনিশ শতকে স্বামী বিবেকানন্দ প্রাচীন ভারতের সেই অদ্বৈতবাদী দর্শনের অনুসরণেই সকলকে ‘অভী’ মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ করে তুলতে চেয়েছিলেন। অভী মানে ভয়মুক্ত হওয়া।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথও প্রাচীন ভারতীয় দর্শন থেকে ভয়মুক্তির মন্ত্রই আহরণ করে এনেছিলেন। ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’, এ রকম দেশ ও সমাজই ছিল তার কাম্য। ভয়ের বিকৃত ভান ও ত্রাসের বিকট রূপ ছিল তার একেবারেই অসহ্য। প্রবলের অত্যাচারপিষ্ট যে দরিদ্রজনগণ সর্বদা নতশির ও ভয়গ্রস্ত হয়ে থাকে, কবিগুরু তাদেরও অভয় মন্ত্র শুনিয়েছেন। তাদের সকলকে ডাক দিয়ে বলেছেন, মুহূর্ত তুলিয়া শির একত্র দাঁড়াও দেখি সবে, যার ভয়ে ভীত তুমি সে অন্যায় ভীরু—তোমা-চেয়ে; যখনি জাগিবে তুমি তখনি সে পলাইবে ধেয়ে; যখনি দাঁড়াবে তুমি সম্মুখে তাহার তখনি সে পথকুক্করের মতো সংকোচে সত্রাসে যাবে মিশে।

রবীন্দ্রনাথের পর নজরুল তো বিদ্রোহ করেছেন ভয় সৃষ্টিকারী সকল অপশক্তিরই বিরুদ্ধে। তার দৃঢ় প্রত্যয় ছিল যে, ঐ অপশক্তিকে উত্খাত করলেই ভয়ের উত্স শুকিয়ে যাবে, এবং ‘উত্পীড়িতের ক্রন্দনরোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গকৃপাণ ভীম রণভূমে রণিবে না।’

এ রকম উত্পীড়নহীন ও অত্যাচারমুক্ত সমাজ গঠনের জন্যই তিনি সকলকে ‘মাভৈঃ’ বা ভয় না-করার মন্ত্র শুনিয়েছেন, ‘বলো ভাই মাভৈঃ মাভৈঃ নবযুগ ঐ এলো ঐ’। সেই নবযুগ আসবে ‘বরাভয়’ নিয়ে, অর্থাত্ তখন আর ভয়ের কোনো অস্তিত্বই থাকবে না।

এতসব কথা বলার পরও কিন্তু স্মরণাতীত কাল থেকে মানুষের ভেতর সঞ্চারিত ভয়ের প্রধান উত্সটির কথা না বললেই চলে না। সেই উত্সটি হলো মৃত্যু। মৃত্যুর হাত থেকে যে কোনো মানুষেরই নিস্তার নেই, এ বিষয়টি সকলেরই জানা। কিন্তু মৃত্যুর পর কী হবে, তা অজানা বলেই সেটি অন্তহীন ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আদিমকাল থেকেই মানুষ মৃত্যুভয়ে ভীত। সেই কিন্তু ভীতি থেকেই সৃষ্টি হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনার। মৃত্যু অনিবার্য জেনেও মানুষ মৃত্যুকে প্রসন্ন মনে মেনে নিতে পারেনি। সে কারণেই তাকে পরলোকের ভাবনা ভাবতে হয়েছে। সেই পরলোক-ভাবনা বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন যুগে বিভিন্ন রূপ পরিগ্রহ করেছে। মৃত্যু-পরবর্তী জীবনে ভালো মানুষেরা স্বর্গলোকে পরম সুখে বাস করবে, আর অন্যেরা নরকে অসীম যন্ত্রণা ভোগ করবে। সেই স্বর্গ-নরকের প্রকৃতি নিয়েও বিভিন্ন জনগোষ্ঠী বিভিন্ন রকমের ধারণার ধারক। এ রকম বিভিন্ন ধারণা নিয়ে নানাবিধ ধর্মমত ও ধর্মসম্প্রদায়ের সৃষ্টি হয়েছে। কোনো কোনো ধর্মসম্প্রদায়ের মানুষ শুধু স্বর্গ-নরক নয়, মৃত্যুর পর জন্মান্তরেও বিশ্বাস করে। হিন্দুর ধর্মশাস্ত্রকাররা এই জন্মান্তরবাদের এমন জুতসই ব্যবহার করেছে যে, এতে ব্রাহ্মণ-আধিপত্যের প্রতিষ্ঠা দৃঢ়তর হয়েছে। বলা হয়েছে যে, পূর্বজন্মে যারা ব্রাহ্মণশাস্ত্রের বিধান মেনে ধর্মকর্ম সম্পাদন করেছিল, তারাই বর্তমানে ব্রাহ্মণকুলে জন্ম নিয়েছে। পূর্বজন্মে যারা ভীষণ পাপ করেছিল, তারাই এখন শূদ্র হয়ে জন্মেছে। এই শূদ্ররা যদি বিনা প্রতিবাদে শাস্ত্রের বিধান অনুযায়ী ব্রাহ্মণ ক্ষত্রিয় বৈশ্যদের সেবা করে যায়, তাহলেই মৃত্যুর পর তারা উচ্চতর কুলে জন্ম নেবে। ব্রাহ্মণ্য শাস্ত্র ভয় দেখিয়েই শূদ্রদের একেবারে জবুথবু করে রেখেছে।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই নানা নামে এই শূদ্রজনতার অবস্থান আছে ও ছিল। নানা জাতের ব্রাহ্মণ তথা সমাজবিধায়করা সব দেশেই এই শূদ্রদের ভয়গ্রস্ত করে রেখেছে। তবে একালে কিন্তু শূদ্ররা সব দেশেই ভয় জয় করে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চাইছে। প্রগতিশীল সমাজচিন্তাবিদদের মতে সারা পৃথিবীতে যেদিন শূদ্র অভ্যুত্থান ঘটবে, সেদিনই শূদ্ররাজত্ব বা শ্রেণিহীন সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে। সেদিনই সমাজ থেকে ভয়ের হেতুগুলো চলে যাবে। মৃত্যুর তাত্পর্য উপলব্ধি করবে বলেই সেদিন মৃত্যুভয়েরও সমাপ্তি ঘটবে। নরকের ভয়ে বা স্বর্গের লোভে নয়, মানুষ সত্ জীবন যাপন করবে কী নিয়ে যাওয়া যাবে, তা নিয়ে ভাববে। তাহলেই দ্রুতই ভয়মুক্ত পৃথিবীর প্রতিষ্ঠা ঘটবে কর্তব্যবোধে চালিত হয়েই। আজকের দিনটিকে যত দ্রুত সেদিনটির কাছে নিয়ে

তবে এ প্রসঙ্গেই ভয়ের সঙ্গে একই সূত্রে জড়িত, এবং প্রায় একার্থক, আরেকটি বিষয়ের কথাও একটু বলতে হয়। সেটি হলো ‘উত্কণ্ঠা’। উত্কণ্ঠার আভিধানিক অর্থ, উদ্বেগ, মানসিক অস্থিরতা, সংশয়যুক্ত দুর্ভাবনা, ব্যাকুলতা এবং অভীষ্ট লাভার্থ কালক্ষেপে অসহিষ্ণুতা। আভিধানিক এই অর্থসমূহ মনে এখলে ভয় থেকে উত্কণ্ঠাকে পৃথক বলে ভাবা যায় কি? তবু যদি কিছুটা পৃথক করতে চাই, তাহলে বলতেই হবে যে, ভয় থেকেই উত্কণ্ঠার জন্ম। চারদিকে এত জয় এখন আষ্টেপৃষ্ঠে এমনভাবে জড়িয়ে ধরেছে যে, আমাদের উত্কণ্ঠাও আজ অনেক বেড়ে গেছে। আমার নিজের কথাই বলি। রাস্তাঘাটে প্রতিনিয়ত নানা দুর্ঘটনার ভয়ে ভীত থাকি বলেই আমার পরিজন বা পরিচিতজনদের কেউ ঘরের বাইরে গেলেই নিরাপদে তার গন্তব্য স্থানে পৌঁছার খবর না পাওয়া পর্যন্ত আমার উত্কণ্ঠা দূর হয় না।

ধরনের ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে সমষ্টিগত পর্যায়েও তো বর্তমানে একই অবস্থা বিরাজ করছে। ভয়ের যত বিস্তৃতি ঘটছে, তারই অনুষঙ্গীরূপে উত্কণ্ঠাও ততই ক্রমবর্ধিষ্ণু হয়ে উঠছে। আমাদের দেশে বর্তমানে ক্ষমতাসীন ও ক্ষমতাপ্রত্যাশী নেতৃবৃন্দ ও তাদের চ্যালাচামুণ্ডাগণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের নামে যেসব কুকাণ্ডের অনুষ্ঠান করে চলছেন, তাতে গোটা সমাজে ছড়িয়ে পড়েছে যে ভয়, সে ভয় থেকেই প্রতিটি মানুষ দুঃসহ উত্কণ্ঠার জালে আটকা পড়ে গেছে। সে জাল ছিঁড়ে বেরিয়ে আসা খুবই দুরূহ হলেও একেবারে দুঃসাধ্য নয় অবশ্যই। তবে বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে বহাল রেখেই ভয় আর উত্কণ্ঠা থেকে মুক্তি লাভের প্রত্যাশা হবে একান্তই অসম্ভবের প্রত্যাশা। সে রকম প্রত্যাশা পরিত্যাগ করে বর্তমান ব্যবস্থার খোলনলচে পালটে ফেলার প্রস্তুতি নিতে হবে এখনই, এই মুহূর্তেই। যে ব্যবস্থার ধারকরা সাম্রাজ্যবাদের পদলেহী, যে ব্যবস্থায় লুটপাটতন্ত্রেরই জয়জয়কার, সুবিধাবাদ ছাড়া অন্য কোনো মতবাদই যে ব্যবস্থায় অনুসৃত হয় না, সে ব্যবস্থাকে ঝাড়ে বংশে উত্খাত করার জন্যই কোমর বাঁধতে হবে। আগে রবীন্দ্রনাথ-নজরুলের লেখনীনিঃসৃত যেসব ভয়-নিবারণী মন্ত্রের কথা বলেছি, সেই সব মন্ত্রকে হূদয়ে ধারণ করেই দৃপ্তকণ্ঠে বলতে হবে, ‘উপড়ি ফেলিব অধীন বিশ্ব অবহেলে নবসৃষ্টির মহানন্দে।’ এই মহানন্দে উজ্জীবিত হলেই বর্তমানের অপব্যবস্থাজনিত ভয় ও উত্কণ্ঠার বিপরীতে যে প্রত্যয়ের উদ্বোধন ঘটবে, সেটি হচ্ছে—‘কোনো দিন যাহা পোহাবে না এমন রাত্রি নাই।’

ভালো করে কান পাতলে কিন্তু এ রকম প্রত্যয়ের কথা এখানে-ওখানে এখনই শুনতে পাওয়া যায়। রাষ্ট্রের কর্তৃত্বকে চিরকাল আপন অধিকারে রাখার জন্য দেশের সকল মানুষের জীবনকে যারা দুর্বিষহ করে রাখছে, জনগণ তাদের সম্পর্কে ক্রমেই মোহমুক্ত হয়ে উঠছে। সেই মোহমুক্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষদের ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত হতে কিছুটা সময় অবশ্যই লাগবে। তবে সেটি খুব বেশি সময় নয়। ভয় ও উত্কণ্ঠাকে পরিহার করে জাগরণ যে ঘটে চলছে, সে ব্যাপারে সন্দেহ পোষণের কোনোই কারণ নেই। অতএব মাভৈঃ।

লেখক: শিক্ষাবিদ

ইত্তেফাক/এএইচপি

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন