মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ হতে পারে :কাদের

আপডেট : ০১ জুলাই ২০১৯, ২২:৫১

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পুনর্বিন্যাস নয়, মন্ত্রিসভা সম্প্রসারিত (আকার বৃদ্ধি) হতে পারে। তবে এটা সম্পূর্ণই প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। চীন সফর শেষে তিনি দেশে ফিরে এলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম ও সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর একটা সংবাদ এসেছে—             এ বিষয়ে একজন সাংবাদিক জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আপনি কোথা থেকে নিউজ পেলেন? আমি জেনারেল সেক্রেটারি জানি না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক কিছুই হতে পারে। এটা এখনো গুঞ্জন-গুজবের পর্যায়ে আছে।’ তিনি বলেন, ‘কেবিনেট সাফল-রিসাফলের বিষয়টা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। আমার মনে হয় কিছু কিছু পদ-পদবি এখনো খালি আছে। কাজেই এক্সপান্ড (সম্প্রসারিত) হতে পারে। যেমন মহিলা ও শিশু, এখানে কোনো মন্ত্রী নেই।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি জনগণের জন্য কিছুটা অস্বস্তিকর হলেও এর যৌক্তিক কারণ রয়েছে। এলএনজি আমদানি ব্যয় সমন্বয় করতেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়। এ সময় তিনি সংবাদপত্রের ওয়েজবোর্ড নিয়ে বলেন, ‘নবম ওয়েজবোর্ডের রোয়েদাদ শিগগিরই হবে, কিছুদিনের মধ্যেই দিয়ে দেব। এটা আর ঝুলিয়ে রাখা সম্ভব নয়। চলতি জুলাই মাসের মধ্যেই নবম ওয়েজবোর্ডের রোয়েদাদ ঘোষণা করা সম্ভব।’

আওয়ামী লীগের সদস্য সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় স্বাধীনতা বিরোধীদের পরিবারের সদস্যরা যুক্ত হতে পারবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ ব্যাপারে অবস্থান একেবারেই স্পস্ট। স্বাধীনতাবিরোধী, সাম্প্রদায়িক কাউকে স্থানীয় সরকার ও জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়ন দেইনি। তার মানে হচ্ছে এদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত থেকে আমরা এখনো সরে আসিনি। ২১ জুলাই থেকে সদস্য সংগ্রহ করা হবে বলে তিনি জানান।

সরকার জঙ্গিবাদ নিয়ে আতঙ্কে আছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘জঙ্গিবাদ নিয়ে সরকার আতঙ্কিত নয়, সতর্ক আছে।’ বরগুনায় রিফাত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতরা সরকারি দলের হলেও রেহাই পাবে না জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যে বা যারাই জড়িত, তারা যদি সরকারি দলেরও কেউ হন; রেহাই পাবে না।

এরশাদকে দেখতে সিএমএইচে

এদিকে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদকে দেখতে গতকাল সকালে সিএমএইচে যান ওবায়দুল কাদের। তিনি এরশাদের চিকিত্সার বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন এবং তাঁর চিকিত্সকদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন জাপার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা।