ঢাকার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ট্রাক প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিকে এসে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত। তার এই নিরলস পরিশ্রম এরই মধ্যে তানোর-গোদাগাড়ীর মানুষের মাঝেও বেশ সাড়া ফেলেছে। ফলে তিনি যেদিকেই যাচ্ছেন, তাকে এক নজর দেখার জন্য, তার সঙ্গে একটি ছবি তোলার জন্যে শত শত মানুষ ভিড় করছেন।
চিত্রনায়িকা মাহি বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে গিয়ে বর্তমান এমপি ও নৌকার প্রার্থী ফারুক চৌধুরীর নানা অনিয়ম-দুর্নীতি তুলে ধরেও ভোটারদেরকে তার পক্ষে টানার চেষ্টা করছেন। আদিবাসী পাড়ায় গিয়ে তাদের সঙ্গে নাচ্ছেন। নারীদের বুকে জড়িয়ে নিয়ে ভোট চাচ্ছেন। ভোটাররাও তাকে ভোট দেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছেন।
জয়ের বিষয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে মাহি বললেন, আমি অনেক টেনশনে আছি। এই কারণে সেটা হচ্ছে যে, আমি সব মা-বোনদের কাছে যেতে পারছি না। আমার খুব ইচ্ছে ছিল প্রত্যেকটা গ্রামে গ্রামে আমি যাব। সবাইকে ধরে ধরে কথা বলব। কিন্তু সেটা যদি সম্ভব হত তাহলে আমার একটা মা-বোনদের ভোট মিস হতো না। তানোর ও গোদাগাড়ীর মতো এত বড় জায়গায় প্রত্যেকটা বাড়িতে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমি সবাইকে অনুরোধ করব মাগো, আমাকে অভিমান করে ভোট দিবেন না এটা করবেন না।
সোমবার (১ জানুয়ারি) ইংরেজি নববর্ষের প্রথম দিন ঘনকুয়াশা ভেদ করে সকাল সকাল স্বামী রকিব সরকারের মোটরসাইকেলে চেপে ধুলোয় ভরা পথ পাড়ি দিয়ে ঘুরলেন গ্রামে গ্রামে। মাঝে মধ্যে সমাবেশ করে চরের ভোটারদের আশ্বাস দিয়ে বললেন, আমাকে শুধু একটা সুযোগ দিন। চরেও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব। চরের মানুষের জীবন পাল্টে দেব।
মাহি আরও বলেন, আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমি অনেকদিন ধরেই এই এলাকার মানুষের পাশে আছি। তাদের সঙ্গে আজীবন থাকব। হারি বা জিতি থাকব। পালিয়ে যাব না। একেবারে খেটে খাওয়া মানুষের ভালোবাসা পাচ্ছি বেশি। যারা মাঠে কাজ করে, বাড়িতে কাজ করে, তারা আমাকে বুকে টেনে নিচ্ছেন। তাদের ভালোবাসাতেই আমি জয়ী হব ইনশায়াল্লাহ।

