কক্সবাজারের টেকনাফে মাদক উদ্ধার অভিযানে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মো. হামিদ ওরফে হামিদ মেম্বার (৪৫) নিহত হয়েছেন। পুলিশ বলছে, নিহত হামিদ তালিকাভুক্ত ইয়াবা কারবারি, এক সময়ের শীর্ষ ডাকাত ও ডজন খানেক মামলার আসামি। এদিকে, গাজীপুরের কালিয়াকৈরে সোমবার রাতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মো. লিয়ন সিদ্দিকী (৩৮) নামে এক শীর্ষ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন।
টেকনাফ (কক্সবাজার) সংবাদদাতা জানান, আটক সদর ইউপির ৫ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার হামিদকে নিয়ে সোমবার রাতে পুলিশ মহেশখালীয়া পাড়া নৌঘাট এলাকায় মাদক উদ্ধার অভিযানে যায়। এ সময় তার সহযোগী অস্ত্রধারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করলে তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়। পুলিশ পাল্টা গুলি করলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এরপর ঘটনাস্থল তল্লাশি করে চারটি এলজি, ১৭ রাউন্ড শর্টগানের তাজা কার্তুজ, ২১ রাউন্ড কার্তুজের খোসা এবং ৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ গুলিবিদ্ধ হামিদ মেম্বারকে উদ্ধার করা হয়। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিত্সার জন্য টেকনাফ উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে প্রাথমিক চিকিত্সা দিয়ে উন্নত চিকিত্সার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিত্সাধীন অবস্থায় রাত পৌনে চারটার দিকে তার মৃত্যু হয়।
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) সংবাদদাতা জানান, নিহত লিয়ন সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে খুন, সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজিসহ ১৭টি মামলা রয়েছে। লিয়ন উপজেলার সফিপুর এলাকার শফিক উদ্দিন মাস্টারের ছেলে। এতে পুলিশের ৫ সদস্য আহত হয়েছে। আহতদের কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
জয়দেবপুর থানায় দায়েরকৃত হত্যা ও মাদক মামলায় সোমবার রাতে গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ি এলাকা থেকে লিয়নকে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্যমতে ঐ রাতেই তাকে নিয়ে অস্ত্র এবং মাদক উদ্ধারে কালিয়াকৈর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পুলিশ অভিযান চালায়। একপর্যায়ে পুলিশ উপজেলার সিনাবহ এলাকায় পৌঁছলে লিয়ন বাহিনীর সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। এ সময় লিয়ন গুলিবিদ্ধ হয়। তাকে কালিয়াকৈর উপজেলা হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।
