গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় আলোচিত সোনাগাজী ইসলামীয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় ফেনী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে নুসরাতের সহপাঠী ৩ নম্বর সাক্ষীর জেরা শেষে ৪র্থ নম্বর সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।
বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে ১৬ আসামির উপস্থিতিতে রাফির সহপাঠী নাসরিন সুলতানা ফূর্তিকে আসামিপক্ষের ১৬ আইনজীবী বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ২:৩০ মিনিট এবং ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত অসম্পূর্ণ জেরা শেষ করেন। বুধবার পরবর্তী জেরার আদেশ দিয়ে বিকাল ৫টায় আদালতের কার্যক্রম মূলতবি ঘোষণা করেন বিচারক।
বিকাল সাড়ে ৪টায় ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাদ্রাসার দপ্তরি যিনি মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার সম্পর্কীয় শ্বশুর ৪র্থ সাক্ষী নুরুল আমিনের জবানবন্দি লিখিতভাবে রেকর্ড করেন এবং বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় সাক্ষীকে জেরা করার আদেশ দেন ও উক্ত মাদ্রাসার নৈশ প্রহরী মোহাম্মদ মোস্তফার জবানবন্দি গ্রহণের আদেশ দিয়ে আদালত ৪র্থ কর্মদিবসের কার্যক্রম মূলতবি ঘোষণা করেন। আদালত চলাকালীন সময়ে ১৬ চার্জশিটভুক্ত আসামির সকলেই আদালতে হাজির ছিলেন।
চলতি বছরের ২৭ মার্চ নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের দায়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ৬ এপ্রিল ঐ মাদ্রাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা নুসরাতের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। টানা পাঁচদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে রাফি মারা যান।
