তিন মাসের বেশি সময় ধরে গাজায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। এতে গাজায় নিহতের সংখ্যা প্রায় ২৬ হাজারে পৌঁছেছে। আহত হয়েছে ৬০ হাজারের বেশি। অন্যদিকে ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে চালানো হামাসের হামলায় নিহত হয়েছে ১২০০। আহত তিন হাজারের বেশি।
গাজায় ইসরায়েল গণহত্যা চালাচ্ছে- এমন অভিযোগে গত ডিসেম্বরে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে) বা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মামলা দায়ের করে দক্ষিণ আফ্রিকা।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় প্রাণহানি ঠেকাতে জরুরি ব্যবস্থা হিসেবে ইসরায়েলকে সামরিক অভিযান বন্ধের নির্দেশনা দিতে পারে আইসিজে। হেগের এই আদালত ইতিমধ্যে দুই দেশেরই বক্তব্য শুনেছে। সেখানে ইসরায়েল দৃঢ়ভাবে গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
বিবিসি বলছে, আইসিজে এই রায় মানতে ইসরায়েলকে বাধ্য করতে না পারলেও রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটি গুরুত্ব বহন করে। আইসিজের যে ১৭ জন বিচারকের প্যানেল আজ রায় দেবে, তাদের মধ্যে ১৫ জন স্থায়ী বিচারক। এছাড়া এর বাইরে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইসরায়েলের একজন করে বিচারক রয়েছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, শুক্রবারের রায়ে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত মামলার প্রধান যে অভিযোগ, গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে কি না, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত দেবে না, বরং দক্ষিণ আফ্রিকার আবেদন অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে সামরিক অভিযান স্থগিতের নির্দেশনা দিতে পারে।
এদিকে এর আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইঙ্গিত দিয়েছেন, আইসিজের আদেশ মানার বাধ্যবাধকতা অনুভব করেন না তিনি। গত ১৪ জানুয়ারি টেলিভিশনে প্রচারিত এক সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু বলেন, ‘কেউ আমাদের থামাতে পারবে না, দ্য হেগ নয়, শয়তানের অক্ষ নয়, অন্য কেউ নয়।’
