বাজেট বাস্তবায়নে রাজনৈতিক সদিচ্ছা জরুরি

আপডেট : ০৩ জুলাই ২০১৯, ২১:১৫

ইত্তেফাক রিপোর্ট

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও উন্নয়ন সমন্বয়ের সভাপতি অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান মনে করেন যে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে বৃহত্তর জনগণের প্রতি সহমর্মিতা এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে আরও গতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত হয়েছে। তবে এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দরকার রাজনৈতিক সদিচ্ছা। তিনি বলেন, ‘এবারের বাজেটে একদিকে সীমাবদ্ধতাগুলো বিবেচনায় নিয়ে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং নতুন ভ্যাট আইন প্রয়োগ ও কর কাঠামোতে রদবদল করা হয়েছে। অন্যদিকে দারিদ্র্য মোকাবিলা, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য বিভিন্ন উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।’ বুধবার ঢাকায় উন্নয়ন সমন্বয় কার্যালয়ে আয়োজিত ‘এবারের বাজেট ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

উন্নয়ন সমন্বয়ের ইমেরিটাস ফেলো ও ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এ কে এনামুল হক, বিআইবিএমের সাবেক মহাপরিচালক তৌফিক আহমেদ চৌধুরী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. নাসিরুদ্দিন আহম্মেদ, ওমেন এন্টারপ্রেনারস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট নিলুফার আহম্মেদ করিম, গ্রাসরুটস উইমেন এন্টারপ্রেনারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মৌসুমী ইসলাম, বিআইডিএসের পক্ষ থেকে ড. জুলফিকার আলি, ড. এম ইউনুস এবং ড. নাজনিন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম আবু ইউসুফসহ বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, উদ্যোক্তা সমিতির প্রতিনিধিরা সংলাপে অংশগ্রহণ করেন।

তৌফিক আহম্মেদ চৌধুরী বলেন, খেলাপি ঋণের কারণে ব্যাংক খাতে যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে, তা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ আগ্রাধিকার দেওয়া এখন সময়ের দাবি। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বাধীনতা দেওয়ার বিকল্প নেই। ড. নাসিরুদ্দিন বলেন, কর আদায়ের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং এ জন্য প্রয়োজনবোধে পুরো প্রতিষ্ঠানকে ঢেলে সাজাতে হবে। অধ্যাপক ইউসুফ বলেন, গড় হিসাবে দারিদ্র্য কমিয়ে আনা গেছে, যা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তবে দেশের যেসব স্থানে এখনো উচ্চ দারিদ্র্যের হার রয়েছে উন্নয়ন পরিকল্পনায়, সেই স্থানগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।