নারায়ণগঞ্জ জেলার ৫টি সংসদীয় আসনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া ৬১ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। এতে বাতিল হয়েছে ১৪ জনের মনোনয়নপত্র।
রবিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার রাব্বী মিয়ার উপস্থিতিতে ওই বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
৫টি আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ৬১জন। যার মধ্যে রূপগঞ্জ আসনে ১০ জন, আড়াইহাজার আসনে ৮ জন, সোনারগাঁ আসনে ১৫ জন, ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ আসনে ১৬ জন ও শহর ও বন্দর আসনে ১২ জন। বাছাইয়ে রূপগঞ্জ আসনে সঠিক তথ্য না দেওয়ায় জাকের পার্টির মাহফুজুর রহমান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী রেহেনা আফজালের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
আড়াইহাজার আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু হানিফ হৃদয়ের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। সোনারগাঁ আসনে আওয়ামী লীগের নাম ব্যবহার করলেও দলের সভানেত্রীর চিঠি না থাকায় শফিকুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১ পার্সেন্ট ভোটার তালিকার সাক্ষর না থাকায় জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী প্রার্থী অনন্যা হুসেইন মৌসুমী, গণফ্রন্টের প্রার্থী মো. সিরাজুল হক ও শাহাবুদ্দিন ছাড়াও ঋণখেলাপির কারণে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশারফ হোসেনের মনোনয়নপত্রও বাতিল করা হয়েছে।
ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ আসনে শ্রমিকলীগ নেতা কাউসার আহম্মেদ পলাশ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১ পার্সেন্ট ভোটার তালিকা সংযুক্ত না করা ও মামলার বিবরণ না দেওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। এছাড়া জাতীয় পার্টির সালাউদ্দিন খোকা মোল্লার মনোনয়ন বাতিল হয় স্ট্যাম্প না থাকায়।
একই আসনে বিএনপি দলীয় সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিনের ঋণখেলাপি ও তার ছেলে জিএম কায়সার মনোনয়নপত্র দিলেও সেখানে ১ পার্সেন্ট ভোটার তালিকার সাক্ষর না থাকায় বাতিল করা হয়েছে। একই আসনে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে জেলা বিএনপির সেক্রেটারি মামুন মাহমুদের।
সদর-বন্দর আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। ঋণখেলাপি ও কাউন্সিলর পদ থেকে পদত্যাগ না করায় তার মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
