বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে রশি দিয়ে বাঁধায় ওসিসহ ৩ জনকে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ

আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৭:১২

কক্সবাজারের পেকুয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রকে কোমরে রশি বেঁধে আদালতে নেওয়ার ঘটনায় থানার ওসিসহ ৩ জনকে দুই কর্ম দিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহিদ হোসাইন এ আদেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী (পেশকার) লুৎফর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) কোমরে রশি বেঁধে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে আদালতে নেওয়ার ঘটনা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর থেকে বিভিন্নস্তর থেকে তীব্র প্রতিবাদ ও দোষী পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠে।

ওসি ছাড়া অন্য দুই কর্মকর্তা হলেন কর্তব্যরত কর্মকর্তা এবং পেকুয়া থানার এএসআই রইস উদ্দিন।

জানা যায়, ওই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের নাম হামিম মো. ফাহিম। তিনি চট্টগ্রামের সাউদার্ন ইউনিভার্সিটিতে স্নাতকে পড়েন। তিনি পেকুয়ায় একটি কোচিং সেন্টার পরিচালনা করেন এবং শিক্ষকতা করেন। গত শনিবার রাতে চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের একটি মারামারি মামলার পরোয়ানায় ফাহিমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত রোববার পেকুয়া থানা-পুলিশের একটি দল কোমরে রশি বেঁধে ও হাতকড়া পরিয়ে তাকে আদালতে হাজির করে। আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কক্সবাজার জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী লুৎফর রহমান বলেন, আসামির কোমরে রশি দিয়ে বাঁধার বিষয়ে ২ কর্ম দিবসের মধ্যে আইনানুগ ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য পেকুয়া থানার ওসি ও আসামিকে গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তা এএসআই রইস উদ্দিনকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ফাহিমের আইনজীবী মিজবাহ উদ্দীন বলেন, ফাহিমকে কোমরে রশি বেঁধে আদালতে নেওয়ার ঘটনায় প্রকাশিত বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকার সংবাদ মঙ্গলবার আদালতের নজরে আনা হয়। আদালত এ সময় দুই কর্ম দিবসের মধ্যে পেকুয়া থানার ওসিসহ ৩ জনকে আইনানুগ ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেন। 

ইত্তেফাক/এবি