বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এভিয়েশন খাতের ব্যবসাও বেড়েছে। দেশের বিপুল সংখ্যক অভিবাসী মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত থাকায় বাজেট এয়ারলাইন্সগুলো এখানে তাদের ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়িয়েছে। ভবিষ্যতে এ প্রবণতা আরও বাড়বে। মধ্যপ্রচ্যের বাজেট এয়ারলাইন্স ‘এয়ার এরাবিয়া’র ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে গ্রুপের সিইও আদেল আব্দুল্লাহ আলী এ মন্তব্য করেন।
বাংলাদেশের এয়ারলাইন্সগুলোর ব্যবসার পরিবেশ অনুকূলে রয়েছে উল্লেখ করে আদেল আব্দুল্লাহ আলী বলেন, এয়ার এরাবিয়ার মূল লক্ষ্য যাত্রীদের কম খরছে স্বাচ্ছন্দে ভ্রমণের নিশ্চয়তা দেওয়া। বাংলাদেশে ফ্লাইটের সংখ্য আরও বাড়বে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে চাহিদা অনুযায়ী ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়াবো। তবে এ বিষয়ে দুটি দেশের মধ্যে যে চুক্তি রয়েছে সেটি নজরে রাখছি আমরা।
এয়ার এরাবিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০০৩ সালে এয়ার এরাবিয়া মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করে। ২০০৭ সালে চট্টগ্রাম থেকে এবং ২০০৮ সালে ঢাকা থেকে প্রথম ফ্লাইট পরিচালনা করে এয়ারলাইন্সটি। এখন এ দুটি গন্তব্য থেকে সপ্তাহে মোট ৭৫টি ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে শারজাহ-ঢাকা রুটে ৩২টি, শারজাহ-চট্টগ্রাম রুটে ১৭টি, আবুধাবি-চট্টগ্রাম রুটে তিনটি এবং আবুধাবি-ঢাকা রুটে ৫টি বানিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছে।
