নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের জয়ে অনেকটাই চূড়ান্ত হয়ে গেছে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের চার দল। গতকাল ডারহামের চেস্টার লি স্ট্রিটে নিউজিল্যান্ডকে ১১৯ রানে পরাজিত করেছে ইংল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়া, ভারতের পর শেষ চারে উঠে গেল ইংল্যান্ড। ৯ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় দল হিসেবে সেমিতে উঠল স্বাগতিকরা।
কার্যত সেমিতে উঠে গেছে নিউজিল্যান্ডও। রান রেটের হিসাব-নিকাশ থাকায় কিছুটা অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে কিউইদের। লিগ পর্ব শেষে নিউজিল্যান্ডের পয়েন্ট ১১। আগামীকাল লর্ডসে বাংলাদেশকে হারাতে পারলে পাকিস্তানের পয়েন্টও ১১ হতে পারে।
কিন্তু ঐ ম্যাচের জয়ও পাকিস্তানকে সেমির টিকিট দিতে পারবে না। কারণ রান রেটে নিউজিল্যান্ডের (+০.১৭৫) চেয়ে অনেক পিছিয়ে পাকিস্তান (-০.৭৯২)।
গতকাল জিততেই হবে এমন সমীকরণ নিয়ে লিগ পর্বের শেষ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল ইংল্যান্ড। জনি বেয়ারস্টোর সেঞ্চুরিতে ৮ উইকেটে ৩০৫ রানের বড় স্কোর গড়ে জয়ের প্রাথমিক কাজটাও সেরেছিল স্বাগতিকরা। ওপেনিংয়ে ১২৩ রানের জুটি গড়ে দলকে বড়ো স্কোরের ভিত গড়ে দেন জ্যাসন রয় ও বেয়ারস্টো। যদিও মিডল অর্ডারে দ্রুত উইকেট হারানোর ফলে কাঙ্ক্ষিত স্কোর গড়তে পারেনি ইংলিশরা। জ্যাসন রয় ৬০ রান করে আউট হলেও ক্যারিয়ারের নবম ও বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন বেয়ারস্টো। বেয়ারস্টো থামেন ৯৯ বলে ১০৬ রান (১৫ চার, ১ ছয়) করে। রুট (২৪), বাটলার (১১), বেন স্টোকস (১১), ক্রিস ওকসরা (৪) ইনিংস বড়ো করতে ব্যর্থ হলেও অধিনায়ক মরগানের ৪২, প্লাঙ্কেটের অপরাজিত ১৫, আদিল রশিদের ১৬ রানে ৩০০ পার হয় ইংল্যান্ডের স্কোর। নিউজিল্যান্ডের বোল্ট, ম্যাট হেনরি, জিমি নিশাম দুটি করে উইকেট নেন। টিম সাউদি ও স্যান্টনার একটি করে উইকেট পান।
পরে রান তাড়া করতে নেমে ৬৯ রানে চার উইকেট হারিয়ে বসে কিউইরা। সেই ধাক্কা আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি দলটি। ৪৫ ওভারে ১৮৬ রানে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড। ল্যাথাম ৫৭, রস টেইলর ২৮, কেন উইলিয়ামসন ২৬, জিমি নিশাম ১৯, স্যান্টনার ১২ রান করেন। ইংল্যান্ডের পক্ষে মার্ক উড তিনটি উইকেট নেন।
