সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

‘কানাডায় ভারতীয় কূটনীতিকদের হুমকি দেওয়া হয়েছিল’

আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৫:৩৭

কানাডায় ভারতীয় কূটনীতিকদের হুমকি দেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া আশা করেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সোমবার তিনি এ কথা বলেছেন। খবর ইন্ডিয়া টুডে।

টিভি৯ এর আয়োজিত একটি শীর্ষ সম্মেলনে বক্তৃতাকালে জয়শঙ্কর বলেছেন, কানাডার ভিসা দেওয়া বন্ধ করতে হয়েছিল ভারতকে। কারণ ভারতীয় কূটনীতিকদের বারবার নানাভাবে হুমকি ও ভয় দেখানো হয়েছিল। আমরা সেই সময়ে কানাডা থেকে কম সান্ত্বনা পেয়েছিলাম।

গত বছর কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো খালিস্তানি নেতা হরদীপ সিং নিজ্জার হত্যায় ভারতীয় এজেন্টদের ‘সম্ভাব্য’ জড়িত থাকার অভিযোগের পরে ভারত ও কানাডার মধ্যে কূটনৈতিক বিরোধ শুরু হয়। সেই প্রেক্ষাপটেই সোমবার এ কথা বলেছেন জয়শঙ্কর।

তবে ভারত দৃঢ়ভাবে ট্রুডোর দাবি প্রত্যাখ্যান করে এটিকে অযৌক্তিক ও প্রণোদিত বলে অভিহিত করেছে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে, ট্রুডোর অভিযোগের পর ভারত সাময়িকভাবে কানাডার নাগরিকদের ভিসা দেওয়া স্থগিত করে। তবে কয়েক সপ্তাহ পর ভিসা সেবা চালু  করে দেওয়া হয়।

শীর্ষ সম্মেলনে জয়শঙ্কর বলেছেন, নয়াদিল্লিও চায় যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র লন্ডনে তার হাই কমিশন এবং সান ফ্রান্সিসকোতে তার কনস্যুলেটে গত বছরের হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি সান ফ্রান্সিসকোতে আমাদের কনস্যুলেটে হামলার অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে। লন্ডনে আমাদের হাইকমিশনে যারা হামলা চালিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশা করছি এবং যারা আমাদের কূটনীতিকদের (কানাডায়) হুমকি দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশা করছি।’

গত বছরের ১৯ মার্চ লন্ডনে ভারতীয় হাইকমিশনে খালিস্তানপন্থীরা হামলা করেছিল। সান ফ্রান্সিসকোতে ভারতীয় কনস্যুলেট ভাঙচুর ও জুলাই মাসে আগুন দেওয়া হয়েছিল। সেপ্টেম্বরে, ভারতীয় কূটনীতিকরা কানাডায় হুমকির সম্মুখীন হন।

জয়শঙ্কর বলেন, ‘কানাডার ভিসা প্রদান স্থগিত করতে হয়েছিল কারণ আমাদের কূটনীতিকরা নিরাপদে কাজ করতে পারছিলেন না। কূটনীতিকদের বারবার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। তাদের বিভিন্নভাবে ভয় দেখানো হয়েছিল এবং সেই সময়ে কানাডার কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।’

এরপর থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে জানান ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ইত্তেফাক/এসএটি