সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

বার্ষিক মহড়া পরিদর্শন করলেন বিমান বাহিনী প্রধান

আপডেট : ০৫ মার্চ ২০২৪, ১৯:৫০

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ৫ দিনব্যাপী বার্ষিক মহড়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মহড়ার উল্লেখযোগ্য অংশ হিসেবে বিমান বাহিনীর বৈমানিকরা আকাশ যুদ্ধের বিভিন্ন প্রকার রণকৌশল অনুসরণ করে যুদ্ধ বিমানের মাধ্যমে আক্রমণ, ইন্টারসেপশন, আকাশ থেকে শত্রু কবলিত স্থান পর্যবেক্ষণ, রসদ সরবরাহ, সৈন্য ও যুদ্ধাস্ত্র স্থানান্তর, স্পেশাল অপারেশন, অনুসন্ধান ও উদ্ধারসহ সকল ধরনের মিশন পরিচালনা করছে।

মহড়া উপলক্ষে মঙ্গলবার (৫ মার্চ) ঢাকায় অবস্থিত বিমান বাহিনী ঘাঁটি বঙ্গবন্ধুতে বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান বিভিন্ন প্রকার বিমানের মহড়ার কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন শেষে বিমান বাহিনী প্রধান বলেন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষার সক্ষমতা রয়েছে এবং অনুশীলনের মাধ্যমে এই সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

এ মহড়ার মাধ্যমে নতুন সংযোজিত র‌্যাডার এবং আনম্যান্ড এরিয়াল ভেহিকলের সক্ষমতা নির্ণয় করা সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।

মহড়াটি রোববার (৩ মার্চ) থেকে বিমান বাহিনীর সব ঘাঁটি এবং সিলেট, টাঙ্গাইল, লালমনিরহাট, শমশেরনগর, রসুলপুর ও সুধারামে অবস্থিত ইউনিট থেকে পরিচালিত হচ্ছে। এ মহড়ায় বিমান বাহিনীর সকল প্রকার যুদ্ধ ও পরিবহন বিমান, হেলিকপ্টার ও র‌্যাডার, মিসাইল ইউনিট এবং আনম্যান্ড এরিয়াল সিস্টেম ইউনিটসহ সকল প্রকার যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে।

মহড়ায় বিমান বাহিনীর বিভিন্ন রাডার স্কোয়াড্রনের মাধ্যমে শত্রুপক্ষের আক্রমণকে চিহ্নিত করে নিজ বাহিনীর যুদ্ধ বিমান ও মিসাইল ইউনিটের সহায়তায় উক্ত আক্রমণকে প্রতিহত করার কৌশল অনুশীলন করা হচ্ছে। আকাশ যুদ্ধ ছাড়াও ভূমিতে ঘাঁটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সংশ্লিষ্ট সকল কৌশল অনুশীলন করা হচ্ছে।

বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার ও কমান্ডো দলের মিশন, পরিবহন বিমান দ্বারা জরুরি রসদ স্থানান্তর, বিমান বাহিনীর বম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সহায়তায় বোমা অথবা বিস্ফোরক দ্রব্য শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয়করণ এবং স্ক্র্যাম্বলের মাধ্যমে আকাশসীমায় অনুপ্রবেশকারী শত্রু বিমানকে প্রতিহত করার লক্ষ্যে কর্তব্যরত যুদ্ধ বিমানকে ব্যবহার করা, ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি এবং সময় সংবেদনশীল টার্গেটে আক্রমণ ইত্যাদি অনুশীলন করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এ মহড়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর শক্তিমত্তা যাচাই এবং বিদ্যমান সমরাস্ত্রের কার্যকারী যুদ্ধ সক্ষমতা মূল্যায়ন করে এর দুর্বল দিকসমূহ নির্ণয় করে গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করা হবে। এ সকল গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ ভবিষ্যতে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে আরও উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।

ইত্তেফাক/এবি