যুক্তরাষ্ট্র যতক্ষণ পর্যন্ত ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে না নিচ্ছে ততদিন ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছে ইরান। ইরানের গোয়েন্দাবিষয়ক মন্ত্রী মাহমুদ আলাভি একথা বলেছেন। তিনি আরো বলেন, ইরানের সামরিক শক্তিকে যুক্তরাষ্ট্র ভয় পায় তাই হামলার সিদ্ধান্ত বাদ দিয়েছে তারা।
গত মাসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ড্রোন ধ্বংসের পর তিনি ইরানে হামলা করতেন; কিন্তু প্রাণহানির কথা বিবেচনা করে সেই পরিকল্পনা বাদ দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, আন্তর্জাতিক আকাশ সীমায় থাকা অবস্থায় ড্রোনটিকে ভূপাতিত করা হয়। তবে তেহরান বলেছে, ইরানের আকাশসীমায় ঢোকার পর মিসাইল ছুড়ে ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয়। বিষয়টি নিয়ে গত মাসের শেষভাগে দুই দেশের উত্তেজনা চরমে ওঠে। ওয়াশিংটন বলেছে, আলোচনার দরজা এখনো খোলা আছে।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে ছয় জাতির করা পারমাণবিক চুক্তি (জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন বা জেসিপিওএ) থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে, ইরানের সামরিক বাহিনীর একটি শাখাকে (ইসলামি বিপ্লবী গার্ড) আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে অভিহিত করেছে, প্রায় এক হাজার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে এবং এমন পদক্ষেপ নিয়েছে, যা অন্য দেশের কাছে ইরানের তেল বিক্রি কঠিন করে তুলেছে।
