পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৬ বছর ধরে বন্ধ এক্সরে-সেবা

আপডেট : ০৩ মে ২০২৪, ০৬:৩০

প্রায় ১৬ বছর ধরে এক্সরে-সেবা পাচ্ছে না পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা রোগীরা। গত বছরের ৮ মে হাসাপাতালে একটি নতুন এক্সরে মেশিন পাওয়া গেলেও টেকনোলজিস্টের অভাবে সেটিও চালু করা যাচ্ছে না। এতে নিত্য ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে রোগী ও স্বজনদের। এদিকে  অব্যবহূত অবস্থায় পড়ে থাকায় নতুন এক্সরে মেশিনটিও নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৫০ শয্যাবিশিষ্ট পীরগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালের এক্সরে মেশিনটি ২০০৮ সালের ১১ জুলাই অচল হয়ে পড়ে। তখন থেকেই হাসপাতালে আসা রোগীরা বাইরে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অতিরিক্ত টাকা খরচ করে এক্সরে করতে বাধ্য হচ্ছে। এদিকে এক্সরে মেশিন নষ্ট থাকায় হাসপাতালে এক্সরে টেকনোলজিস্ট আব্দুর রাজ্জাককে ২০১৩ সালের ২৪ নভেম্বর রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেষণে বদলি করা হয়। তখন থেকেই রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেষণে কর্মরত রয়েছেন তিনি। গত বছরের মে মাসে পাওয়া নতুন এক্সরে মেশিনটি জুন মাসে পীরগঞ্জ হাসপাতালে স্থাপন করা হয়। কিন্তু হাসপাতালের মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট প্রেষণে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত থাকায় এখানে এক্সরে কার্যক্রম চালু করা যাচ্ছে না।

জানা যায়, এই হাসপাতালে প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৩৫০ জন রোগী চিকিত্সার জন্য আসে। বিভিন্ন কারণে অনেক রোগীকে এক্সরে করানোর জন্য বাইরে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানো হয়। এতে রোগীর স্বজনদের বাড়তি খরচ ও ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল জব্বার বলেন, নতুন এক্সরে মেশিনটি চালানোর জন্য এক্সরে টেকনোলজিস্ট দরকার। এই হাসপাতালের এক্সরে টেকনোলজিস্ট প্রেষণে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজে আছেন। তার প্রেষণ আদেশ বাতিল করতে কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রেষণ আদেশ বাতিল হয়নি। ফলে প্রায় এক বছর ধরে নতুন এক্সরে মেশিনটি চালানো যাচ্ছে না।

ইত্তেফাক/এএইচপি