রাজশাহীর বাঘায় প্রেমিকার প্রতারণার ফাঁদে পড়ে এক প্রেমিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলায় ফেঁসে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আলোচিত এই প্রেমিকের নাম শরিফ। তার বাড়ি উপজেলার মীরগঞ্জ মোড়ে।
শুক্রবার (৩ মে) সকালে অভিযুক্ত ওই প্রেমিককে আটক করেছে পুলিশ।
অভিযুক্ত প্রেমিক মো. শরিফ হোসেন নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, আমি আমার প্রেমিকাকে মন-প্রাণ দিয়ে ভালোবাসি। তাকে বিয়ে করতে চাই। এ কারণে আমি স্বেচ্ছায় তার সঙ্গে মেলামেশা করেছি। তবে আমাকে ভালোবাসার ফাঁদে ফেলে সে আরও কয়েকজন ছেলের সঙ্গে ফেসবুক এবং ইমোতে সম্পর্ক রেখেছে সেটি আমার জানা ছিলো না। গত ৩০ এপ্রিল রাতে আমরা দু’জন স্বেচ্ছায় একসঙ্গে রাতযাপন করা অবস্থায় তার মোবাইল আমার হাতে নিলে এসব রহস্য বেরিয়ে আসে। পরদিন সকালে আমি তার মোবাইলটি আমার কাছে রেখে দিলে সে থানায় গিয়ে আমার নামে ধর্ষণ মামলা করে।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, আমি ফেসবুক-ইমোতে কয়জনের সঙ্গে প্রেম করেছি, কিংবা কার সঙ্গে আমার মোবাইলে ছবি তুলে রেখেছি সেটি আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। সে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমাকে সারারাত তার চাচার বাসায় রেখে ধর্ষণ করে ও আমার মোবাইল কেড়ে নেয়।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য তজলুল হক জানান, অভিযুক্ত শরিফের দু’জন স্ত্রী থাকার পরেও সে নতুন করে ওই নারীর সঙ্গে প্রেমে লিপ্ত। যতটুকু বুঝেছি, ওই প্রেমিক তার প্রেমিকার মোবাইল কেড়ে না নিলে ঘটনা এতদূর গড়াতো না, কিংবা থানায় মামলাও হতো না।
বাঘা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগী নারী বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্ত শরিফের বিরুদ্ধে মামলা করেন। শুক্রবার সকালে অভিযুক্তকে তার বাড়ি থেকে আটক করা হয়। ভুক্তভোগীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।
