সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

১৩৯ উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে

আপডেট : ০৮ মে ২০২৪, ১০:০২

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বুধবার (৮ মে) সকাল ৮টায় সারাদেশের ১৩৯ উপজেলায় একযোগে শুরু হয় ভোটগ্রহণ। যা বিরতিহীনভাবে চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। 

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলায় এই পর্বে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে ২ কোটি ৮০ লাখের বেশি মানুষ।

গত ২১ মার্চ ঘোষিত তপসিল অনুযায়ী প্রথম ধাপে ১৫২টি উপজেলায় ভোট হওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে হাতিয়া, মুন্সীগঞ্জ সদর, বাগেরহাট সদর, পরশুরাম ও শিবচর এই পাঁচটি উপজেলার সব পদের প্রার্থীরা বিনা ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। অর্থাৎ এই পাঁচ উপজেলায় কোনো পদেই ভোটের প্রয়োজন পড়ছে না। উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ, মৃত্যুজনিত, প্রশাসনিক ও ধাপ পরিবর্তনের কারণে আটটি উপজেলার ভোট স্থগিত করেছে ইসি। শেষ পর্যন্ত প্রথম ধাপে ১৩৯টি উপজেলায় ভোট হচ্ছে।

ভোটে মন্ত্রী-এমপিদের প্রভাব বিস্তার প্রতিরোধে এবার কঠোর অবস্থানে ইসি। ইতিমধ্যে আচরণবিধি লঙ্ঘনের সত্যতা পাওয়ায় জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী রফিকুল ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল করে ইসি। যদিও গতকাল বিকালেই ঐ উপজেলার ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। যে এলাকায় মন্ত্রী-এমপিরা প্রভাব বিস্তার করতে পারেন—সেই সব এলাকার ডিসি-এসপিদের কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো প্রকার প্রভাব বিস্তার করলে ভোট বন্ধের সিদ্ধান্তও আছে।

ভোটকে সুষ্ঠু করতে ১৩৯ উপজেলায় ৮২ হাজার ৭৩৩ জন পুলিশ মোতায়েন থাকবে। ১২ হাজার ৭৮০ জন বিজিবি সদস্য স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন। রিজার্ভ থাকবে ১৮৩০ জন। ভোটকেন্দ্র এবং মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসাবে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮৭৪ জন আনসার সদস্য মোতায়েন থাকছে। পাশাপাশি প্রায় আড়াই হাজার রেব সদস্য মোতায়েন থাকবে। ভোটের পরিবেশ শান্ত রাখতে স্বাভাবিক এলাকায় সাধারণ কেন্দ্রে ১৭ জন ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ১৮ বা ১৯ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়া বিশেষ এলাকায় (পার্বত্য ও দুর্গম এলাকা) সাধারণ কেন্দ্রে ১৯ জন ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ২০ বা ২১ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়াও উপজেলার আয়তন, ভোটার সংখ্যা ও ভোটকেন্দ্রের গুরুত্ব বিবেচনায় প্রতি উপজেলায় ২ থেকে ৪ প্লাটুন বিজিবি দায়িত্ব পালন করবেন।

তিনটি পদে ১৬৬৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৫৭০, ভাইস চেয়ারম্যান ৬২৫ এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪৪০ জন প্রার্থী রয়েছেন। তবে ভোটের আগেই এই ধাপে চেয়ারম্যান পদে আট, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১০ করে অর্থাৎ মোট ২৮ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন।

ইত্তেফাক/কেকে