নানা আয়োজনে গতকাল শনিবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ‘গৌরবের ৬৬ বছর’ শীর্ষক স্লোগানে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করে। সকাল ১০টায় শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রশাসনিক ভবনের চত্বরে রাবি উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা, পায়রা, বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। একই সময় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়া বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা এবং প্রাধ্যক্ষবৃন্দ নিজ নিজ হলের পতাকা উত্তোলন করেন।
এতে অন্যদের মধ্যে রাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এমএ বারী, প্রক্টর অধ্যাপক মো. লুত্ফর রহমান, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রভাষ কুমার কর্মকারসহ সিন্ডিকেট সদস্য, অনুষদ অধিকর্তা, হল প্রাধ্যক্ষ, বিভাগীয় সভাপতি ও বিভিন্ন শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনীর পর এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রশাসনিক ভবন চত্বরে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন কমিটির সদস্য-সচিব ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক লায়লা আরজুমান বানুর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যদ্বয়। এসময় ‘ঐতিহ্যের ৬৬ বছর’ শীর্ষক স্মারকপত্রের পাঠ উন্মোচন করা হয়।
সমাবেশে উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম শীর্ষ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় তার শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীন শিক্ষা ও জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করে চলেছে। দেশের আন্দোলন-সংগ্রামেও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে রোল-মডেলে পরিণত করতে চাই যাতে এখান থেকে বিশ্বমানের সুনাগরিক তৈরি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সরকারের সক্রিয় সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভৌত কাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা ও গবেষণার মান উন্নয়নসহ পাঠ্যক্রম বহির্ভূত কর্মকাণ্ডের প্রসারে কাজ চলছে।’ সে লক্ষ্য অর্জনে উপাচার্য সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
এ উপলক্ষ্যে বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ কামাল স্টেডিয়ামে খেলাধুলা ও শহীদ মিনার মুক্ত মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
