স্বেচ্ছাশ্রমে চিরিরবন্দরে বাঁশের সাঁকো তৈরি

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০১৯, ২১:৪২

স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর

স্বাধীনতার ৪৮ বছরেও ১০ গ্রামের মানুষের যাতায়াতে ইছামতি নদী পারাপারে ভোগান্তি লাঘবে আজও সেতু নির্মাণ হয়নি। নির্বাচন এলে সবাই প্রতিশ্রুতি দেয় কিন্তু কথা রাখে না। তাই এলাকাবাসী নিজেদের প্রয়োজনেই এ নদীর ওপর বাঁশের সাকো নির্মাণ করে যাতায়াত করে।

কিন্তু এ বছর বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই কালবৈশাখীর তাণ্ডবে হঠাত্ সাঁকোটি ভেঙে যায়। ফলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। চরম দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ মানুষ।

সরকারি কোনো সহায়তা না পাওয়ায় এলাকাবাসী বাঁশ, অর্থসহ শ্রম দিয়ে বাঁশের সাঁকোটি তৈরি করেন। দুর্ভোগ দূর করতে স্থানীয় গছাহার গ্রামের বাসিন্দাদের উদ্যোগে গত এক সপ্তাহ ধরে ঐ স্থানে ইছামতি নদীতে ৭০ ফুট বাঁশের সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিবছরই সাঁকোটি মেরামত করেন তারাই।

সাঁকো তৈরি বাস্তবায়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছত্রধর দাস বলেন, এখানকার সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় আমাদেরকে চার/পাঁচ কিলোমিটারের মতো এলাকা ঘুরে রানীরবন্দরে যাতায়াত করতে হয়। অথচ সাঁকোটি তৈরি হলে কোমলমতি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসাগামী শিক্ষার্থীসহ অসুস্থ মানুষ ও বৃদ্ধদের বেশি উপকার হবে। তিনি আরো জানান, সাঁকোটি তৈরিতে বাঁশসহ অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী ক্রয় ও শ্রমিকদের মজুরিসহ প্রায় দেড় লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। এর মধ্যে চাইল্ড কেয়ার স্কুল কর্তৃপক্ষসহ স্থানীয় লোকজন আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। এ ছাড়া গ্রামের প্রতিটি পরিবার সাধ্যমতো সাঁকো তৈরির কাজে বিনা পয়সায় বাঁশ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।