শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১
The Daily Ittefaq

সিরাজগঞ্জে দ্রুত বাড়ছে যমুনার পানি

আপডেট : ০৪ জুন ২০২৪, ০১:৩০

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিরাজগঞ্জে গত কয়েক দিন ধরেই বাড়ছে যমুনার পানি। গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্টে ৩০ সেন্টিমিটার ও কাজীপুর পয়েন্টে ৩১ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। সোমবার সকালে সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্টে যমুনা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৯.৪২ মিটার। অন্যদিকে কাজীপুর পয়েন্টে যমুনা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ১১.৩ মিটার।

এই পানি বাড়ার ফলে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাহুকা এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে বলে এলাকাবাসী জানায়।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহবুবুর রহমান জানান, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গত কয়েক দিন ধরেই দ্রুত বাড়ছে যমুনা নদীর পানি।

সারিয়াকান্দি (বগুড়া) সংবাদদাতা জানান, জুন মাসের শুরুতে যমুনা নদীতে পানি বাড়তে থাকায় ইছামারা পয়েন্টে সদ্য নির্মিত তীর রক্ষা কাজের কয়েক শ মিটার অংশ ধসে গেছে। নদীপাড়ের লোকজন বলছেন, পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে তীর রক্ষার কাজ আরও ধসে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। রৌহাদহ থেকে ইছামারা পর্যন্ত বেশ কয়েকটি পয়েন্টে নদীতীরে নতুন করে ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে রৌহাদহ মানবিক বাঁধও হুমকির মুখে পড়বে বলে স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন।  ঐ বাঁধ রৌহাদহসহ চার-পাঁচটি গ্রামকে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা করেছে।

কামালপুর গ্রামের হেলাল মিয়া বলেন, তীর সংরক্ষণকাজ চলমান থাকা অবস্থায় পানি বৃদ্ধিতে সিসি ব্লক ও জিও ব্যাগ ধসে যাচ্ছে। এ অবস্থা চলমান থাকলে বন্যানিয়ন্ত্রণ মানবিক বেড়িবাঁধ ভেঙে কামালপুর গ্রামের প্রায় ৫০০ পরিবার পানিবন্দী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই অতিদ্রুত ভাঙনকবলিত এলাকায় নদীভাঙন রোধে কাজ শুরু করা প্রয়োজন। 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সারিয়াকান্দি উপবিভাগীয় প্রকৌশলী হুমাউন কবীর বলেন, উজানে ভারী বৃষ্টিপাতের জন্য যমুনা নদীর পানি বাড়ছে। কামালপুর ইউনিয়নে নদী ভাঙনকবলিত এলাকায় তীর সংরক্ষণকাজ চলমান রয়েছে। নতুন করে যেসব এলাকায় ধসের সৃষ্টি হয়েছে, সেখানে অতি দ্রুত ভাঙন রোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ইত্তেফাক/এমএএম