হরতালের অস্ত্রে মরিচা ধরে গেছে :কাদের

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০১৯, ২২:২৬

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বামজোটের হরতালে জনগণের সাড়া মেলেনি। ঢাকা শহরে হরতালের কোনো চিহ্ন ছিল না, ছিল যানজট। হরতাল এখন গণআন্দোলনের অস্ত্র নয়। হরতালের অস্ত্রে মরিচা ধরে গেছে। গতকাল রবিবার দুপুরে ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি আরো বলেন, গ্যাসের দাম সমন্বয় করার জন্য মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে। এ কারণে গ্যাসের দাম বাড়ানো অযৌক্তিক হয়নি। এই বাস্তবতা বুঝে এ হরতালে জনগণ সাড়া দেয়নি। রাজধানী ঢাকাসহ কোথাও হরতাল হয়নি। জনজীবনে হরতালের কোনো প্রভাব ছিল না। রাস্তাঘাট ও পরিবহন ব্যবস্থা সবকিছু ছিল স্বাভাবিক।

মন্ত্রী বলেন, ‘গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির পরও ভর্তুকি দিতে হবে। গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি বাস্তবসম্মত।’

এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিভিন্ন নির্বাচনে দলের যারা নৌকার প্রার্থীর বিরোধিতা করেছে তাদের শাস্তির আওতায় আনার বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে সাংগঠনিক বিষয়ে যেসব আলোচনা হয়েছে সেসব বিষয় দলের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় আলোচনা হবে। তিনি বলেন, নৌকা মার্কার বিরোধিতা করে যারা বিদ্রোহীদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল তাদের অবশ্যই শাস্তি হবে। কোনো এমপি বা মন্ত্রী যদি দোষী হয় পরবর্তীতে তাকে আর মন্ত্রী করা হবে না বা এমপির টিকিট দেওয়া হবে না, এটা কী তার জন্য শাস্তি নয়? শুধু দল থেকে বহিষ্কার করলেই কী শাস্তি হয়। তিনি বলেন, ডিসিপ্লিন ক্রেক করার আসকারা পেলে এর প্রবণতা বাড়ে। তাই আমরা এর লাগাম টেনে ধরতে চাই। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যথাসময়ে দলের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

বৈঠকে অন্যদের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী এবং দলের আইন বিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম, দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।