শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১
The Daily Ittefaq

প্রবাসে কর্মসংস্থানে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সঙ্গে মতবিনিময় 

আপডেট : ১১ জুন ২০২৪, ১৯:৩৬

সঠিক ব্যবস্থাপনায় প্রবাসে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে রাজশাহীর বাঘায় দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সঙ্গে জনসংযোগ সংক্রান্ত সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

মঙ্গলবার (১১জুন) সকালে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জনাব আখলাখ-উজ জামান। 

বাঘা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত সেমিনারে আখলাখ-উজ জামান বলেন, আমাদের দেশে বর্তমানে প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষ বেকার জীবন যাপন করছে। তাদের কর্মসংস্থানের জন্য কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অধিদপ্তর ব্যুরো। আমি সেই অধিদপ্তরের একজন ক্ষুদ্র কর্মকর্তা। বর্তমানে আমাদের দেশের লক্ষ-লক্ষ বেকার মানুষ তাদের কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে গিয়ে প্রতারণার শিকার হচ্ছে। আমরা চাই বিভিন্ন কাজের প্রতি দক্ষতা অর্জন করে তারা সঠিক পথে ও সরকারী ব্যবস্থাপনায় বিদেশে পাড়ি জমাক। এতে করে একদিকে যেমন বৈদে মুদ্রা অর্জনের মধ্য দিয়ে উপকৃত হবে দেশ, অন্যদিকে আর্থিকভাবে লাভবার হবে প্রবাসে পাড়ি জমানো বেকর মানুষগুলো। এর ফলে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সামাজিক শৃঙ্খলা ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন। 

সেমিনারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তরিকুল ইসলাম বলেন, আমরা শুধুমাত্র পড়াশোনা এবং চাকরির পেছনে ছুটি। দেশের সকল মানুষকে তো চাকরি দেওয়া সম্ভব নয়। সুতরাং চাকরির পেছনে না ছুটে, আমরা নিজেদেরকে নিজেরা বিভিন্ন কাজে দক্ষ হিসেবে যদি গড়ে তুলতে পারি তাহলে এদেশে বেকারত্ব দূর হবে এবং সমাজে যত সমস্যা রয়েছে তা অনায়াসে সমাধান হবে। তিনি এই সেমিনারের বিষয় বস্তু ও উদ্দেশ্য স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার প্রচারণার জন্য আহবান জানান। 

এ সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাঘা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুল লতিব মিঞা, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান, উপজেলা পূজা উৎযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক অপূর্ব কুমার সাহা, বাঘা রহমোতুল্লাহ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল ইসলামসহ অনেকে। 

উপস্থিত ছিলেন উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা, শিক্ষক, ইমাম, সাংবাদিক, বণিক ও শ্রমিক সমিতির নেতারা এবং স্থানীয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান (এনজিও)র প্রতিনিধিরা। 

ইত্তেফাক/পিও