স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার জন্য দরকার গণপ্রশিক্ষণ

আপডেট : ১২ জুন ২০২৪, ১৬:০৪

দেশের সকল সেক্টরে প্রায় ৭ কোটি দক্ষ লোকবল আছে এবং ৩ কোটি বেকারও বিদ্যমান আছে। বেকারদের সংযুক্তিকরণ প্রশিক্ষণ এবং দক্ষদের সার্টিফিকেট প্রদানের  জন্য একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন প্রকৌশলী ডিএম মজিবর রহমান। তিনি এর নাম দিয়েছেন- ‘গণপ্রশিক্ষণ ও সার্টিফিকেশন’ পদ্ধতি। 

তার উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে নতুন কোন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রয়োজন হবে না; নিয়োগ দিতে হবে না নতুন প্রশিক্ষক; কোন প্রশিক্ষণ উপকরণও প্রয়োজন হবে না। হাতে হাতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমেই এটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব। এর জন্য শুধু দরকার হবে- সরকার প্রধানের সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত।

 ন্যাশনাল প্রাক্টিক্যাল ট্রেইনিং প্রোগ্রাম লিমিটেড ও বাংলাদেশ সোলার মিনিগ্রিড অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান- ডিএম মজিবর রহমান ১৯৮০ সালে সরকারি চাকুরীতে যোগদান করে দীর্ঘ ২৭ বছর গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন শেষে  ২০০৭ সালে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন।

বিদ্যুৎ বিষয়ে কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি দেশে নবায়ণযোগ্য শক্তি উন্নয়নে সোলার ইলেক্ট্রো বাংলাদেশ লিমিটেড (এসইবিএল) প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১৫ সালে উদ্যোক্তা হিসাবে ভোলা জেলার মনপুরা দ্বীপ উপজেলায় 'মনপুরা সোলার মিনিগ্রিড স্থাপন করেন, যা ২০১৬ সালে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক কর্তৃক ‘ওয়ার্ল্ড মডেল’ হিসাবে ঘোষিত হয়। তিনি আইডিইবি-র স্ট্যাডি ও রিসার্চ সেলের ফেলো হিসাবে দেশের অতি প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি বিষয়ে গবেষণা করছেন।

তার উদ্ভাবিত পদ্ধতি বাস্তবায়ন হলে পাঁচ বছরে প্রায় ৩ কোটি বেকার মানুষকে কর্মসংস্থানের আওতায় আনা যাবে। প্রশিক্ষিত জনগোষ্ঠীকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বর্তমানের চেয়ে প্রায় দশগুণ বেশি রেমিট্যান্স আহরণ করা সম্ভব হবে। 

তিনি জানান, দেশে সরকারি, বেসরকারি, স্বায়ত্ত-শাসিত, ব্যক্তি মালিকানাধীন ৯৩টি সেক্টরে প্রায় লক্ষাধিক প্রশিক্ষণযোগ্য প্রতিষ্ঠান আছে এবং সে সব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৭ কোটি দক্ষ লোক কর্মরত আছে। ঐ সকল প্রতিষ্ঠানের দক্ষ কর্মীরাই হবে প্রশিক্ষক, প্রতিষ্ঠান হবে প্রশিক্ষণকেন্দ্র এবং কাজের যন্ত্রপাতি ও মালামালই হবে প্রশিক্ষণ উপকরণ। এসকল প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীরা ৩৪টি ট্রেডে ৯৫টি কারিগরি পদে প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন। প্রতিটি ট্রেডেই কর্মরত দক্ষ জনবলের সাথে সাহায্যকারী হিসেবে মাত্র ৩-৬ মাস হাতে-হাতে নিবিড় কাজের মাধ্যমে বাস্তব প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবে তারা; অর্জন করবে দক্ষতা ও সক্ষমতা। 

দেশে এবং বিশ্ববাজারে চাহিদা আছে- এমন ট্রেড/পদে প্রশিক্ষণ নিবে প্রশিক্ষণার্থীরা। যেমন- কৃষি, মৎস, হাস-মুরগীর খামার, পশুপালন, দুগ্ধ খামার, কলকারখানা, সরকারি প্রতিষ্ঠান যেমন- পিডিবি, আরইবি, পিডব্লিউডি, এলজিইডি ইত্যাদি এবং বিবিধ কন্সট্রাকশন/ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানে সকল ট্রেড ভিত্তিক বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেবে । 

বর্তমান বাস্তবতায় দক্ষতার সার্টিফিকেট না থাকায় প্রবাসে বাংলাদেশী কর্মীরা এক চতুর্থাংশ বেতন পায় এবং বহুলাংশে অমর্যাদাকর কাজ পায়। এছাড়াও আমাদের জনশক্তি রপ্তানী পদ্ধতি বহুলাংশে দুর্নীতিগ্রস্ত ও হয়রানিমূলক। এ কারণেই অদক্ষ কর্মীরা অবৈধভাবে চোরাই পথে জীবনের ঝূকি নিয়ে নৌকায় পাড়ি দিয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হচ্ছে। আবার অনেক শ্রমিক স্বাভাবিকভাবে বিদেশ গিয়েও জেলখানায় আটকা থাকছে । বাকিরা অতি নিম্ম বেতন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে।

তিনি মনে করেন, বিদেশে দক্ষ শ্রমিকের ব্যপক চাহিদা আছে। শুধুমাত্র প্রয়োজন  আন্তর্জাতিক মানের একটি দক্ষতার সার্টিফিকেট। সার্টিফিকেট প্রদানে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করতে হবে, যাতে পৃথিবীর যে কোন দেশ এ সার্টিফিকেট মূল্যায়ন করে।

প্রস্তাবিত প্রশিক্ষণ ও সার্টিফিকেশন কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন সচিবের নেতৃত্বে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন জনবল কাঠামোর প্রয়োজন হবে। এ জনবলের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতি বিভাগে একজন যুগ্ম-সচিব/অতিরিক্ত সচিব থাকবেন। দেশকে ১৪০টি অঞ্চলে ভাগ করে প্রতিটি অঞ্চলকে জেলা হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। বর্তমান জেলা প্রশাসকের ন্যায় একজন জেলা প্রশাসক (ট্রেইনিং) এর নেতৃত্বে জনবল কাঠামো গঠন করতে হবে।  প্রত্যেক উপজেলায় একজন ইউএনও (ট্রেইনিং) এর নেতৃত্বে জনবল কাঠামো গঠিত হবে।  ডিসি (ট্রেইনিং) হবে আইএলও অনুমোদিত, যিনি প্রদত্ত সার্টিফিকেটে স্বাক্ষর করবেন যা বিশ্বের প্রত্যেক দেশে মুল্যায়িত হবে।

তিনি বলেন, কর্মসূচি বাস্তবায়নে সকলের কম-বেশি মানবিক দায়িত্ব নিতে হবে। যার যার দায়িত্বের পর্যায় নির্ধারণ করা থাকবে। এ কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণের জন্য সকল ব্যবসায়ী সংগঠনের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে, যেমন- এফবিসিসিআই, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স, সকল কেন্দ্রীয় ব্যবসায়িক ও পেশাজীবি সংগঠন, ইন্সটিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইইবি), স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ), কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট, রিয়েল এস্টেট এন্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব), ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি), ডিপ্লোমা কৃষিবিদ অ্যাসোসিয়েশন ও নির্মাণ শ্রমিক অ্যাসোসিয়েশন। সকল সরকারি-বেসরকারি সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, প্রত্যেক মন্ত্রণালয়ের বিভাগীয় প্রধানগণের সার্বজনীন অংশ গ্রহণের মাধ্যমে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। প্রত্যেকেই যার যার দায়িত্বের মধ্যে সেবার দৃষ্টিতে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য কাজ করবেন। 

মজিবর রহমান জানান, ডিসি (ট্রেইনিং), জেলা ভিত্তিক সকল সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিক, স্বায়ত্ত-শাসিত ও ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, চেম্বার কর্মকর্তা, বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা ও জেলার সকল স্তরের কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় সভার মাধ্যমে সরকারের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সকলের সহযোগিতা চাইবেন। সরকারি ও বেসরকারি কমিটি কর্তৃক জরিপ তালিকা অনুযায়ী, ডিসি (ট্রেইনিং) সংশ্লিষ্ট পদে প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন আহ্বান করবেন। আবেদন ফরম অনুযায়ী প্রশিক্ষণের জন্য একজন প্রার্থীর সর্বোচ্চ ১০ টি পদে প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকবে। যাতে নির্ধারিত পদে স্থান না পেলে অবশিষ্ট ৯ টি পদের যেকোন একটিতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার সুযোগ থাকে। কৃষি, মৎস, হাঁস-মুরগী ও দুগ্ধ খামারে ১৫ থেকে ২০ জনের গ্রুপে ইউনিয়ন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এবং মৎস ও প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তাগণ নিজের কাজের সঙ্গে গ্রুপভিত্তিক প্রশিক্ষণ দিবেন। 

প্রকল্পের প্রশিক্ষণ বাস্তবায়ন কমিটি গঠন সম্পর্কে তিনি জানান, জেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসকের মনোনীত কর্মকর্তা, জেলা চেম্বারের কর্মকর্তা, জেলা আইইবি ও আইডিইবির কর্মকর্তা, জেলা কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটের কর্মকর্তা এবং ডিপ্লোমা কৃষিবিদ অ্যাসোসিয়েশন ও জেলা নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিনিধি ইত্যাদির সমন্বয়ে প্রশিক্ষণ বাস্তবায়ন কমিটি গঠিত হবে। এই কমিটি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম তদারকি ও বাস্তবায়নে সার্বিক দায়িত্ব পালন করবেন। প্রয়োজনে ন্যাশনাল প্র্যাক্টিক্যাল ট্রেইনিং গ্রোগ্রাম লিমিটেড বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে সরাসরি ট্রেইনিং প্রোগ্রাম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কনসাল্টেন্সী প্রদানের মাধ্যমে সেখানে দৈনিক হাজিরা, প্রশিক্ষণের টুলস ইকুইপমেন্ট এবং স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করবে।

জেলা ভিত্তিক ডিসি (ট্রেইনিং) নিয়োগ প্রাপ্তির সাথে সাথেই সারা বাংলাদেশে ১৪০ জেলায় একই দিনে এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি প্রদান করবেন যে, জেলার আওতাধীন ১৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সের সকল দক্ষ কর্মী উল্লিখিত ট্রেডসমূহের মধ্যে যে যে-পদে দক্ষ তা উল্লেখ পূর্বক নির্ধারিত ফরমে সার্টিফিকেট প্রাপ্তির লক্ষ্যে ডিসি (ট্রেইনিং) বরাবর আবেদন করবে। আবেদন যাচাই বাছাই সাপেক্ষে স্ব স্ব জেলায় ৩ মাসের মধ্যে সার্টিফিকেট প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে পূর্ব থেকেই একই ডিজাইনের প্রায় ৭ কোটি সার্টিফিকেট প্রস্তুত রাখতে হবে।

সার্টিফিকেট প্রদান কর্মসূচী শেষ করার পরেই দেশের ৩ কোটি বেকার এবং হতাশাগ্রস্ত ও মাদকাসক্তদের সংযুক্তিকরণ প্রশিক্ষণের নিমিত্তে ট্রেড/পদ ভিত্তিক সকল জেলায় একই দিনে ট্রেনিং গ্রহনের জন্য নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রদান করবেন। প্রশিক্ষণার্থীরা নির্ধারিত ফরমে পছন্দনীয় পদে ডিসি (ট্রেনিং) বরাবর আবেদন করবেন। জেলার সার্টিফিকেটধারী পদ ভিত্তিক দক্ষ কর্মীদের সাথে সংযুক্তিকরনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট পদে আবেদনকারীদেরকে সাহায্যকারী/জোগালী হিসাবে ৩-৬ মাসের জন্য কাজে সংযুক্ত করবেন। প্রতি ১৫দিন পরপর প্রশিক্ষণার্থীরা জেলা ভিত্তিক কর্মশালায় অংশগ্রহণ করবেন। কর্মশালায় জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী/উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী/চিকিৎসক/উকিল/মানব সম্পদ কর্মকর্তা এবং জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট প্রশিক্ষণার্থীদের দেশী এবং বিদেশী আইন কানুন, খাদ্যাভ্যাস, ভাষা, চিকিৎসা এবং সংশ্লিষ্ট কাজে দক্ষতা ও সচেতনতা বিষয়ে ধারণা দেবেন।

তিনি মনে করেন এই কর্মসূচির সরকারি নীতিমালা থাকবে। প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশ গ্রহণের জন্য বাধ্যবাধকতা থাকবে। সার্টিফিকেট ছাড়া কেউ বিদেশে যেতে পারবে না- এই মর্মে সরকারি ঘোষণার মাধ্যমে নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। প্রয়োজনীয় কাজের জন্য টুলস ক্রয় বাবদ ব্যাংক লোন ও বিশেষ সুবিধা নীতিমালা নিশ্চিত করতে হবে। দেশে দক্ষতার সাথে কর্মরত বিদ্যমান জনবলকে ট্রেড ও পদের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুপারিশের মাধ্যমে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। দক্ষতা ও সক্ষমতা অর্জনকারী সকলকেই সার্টিফিকেশনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করতে হবে। 

সরকারি উদ্যোগে কূটনৈতিক মিশনের লেবার শাখায় অতিরিক্ত পদ সৃষ্টি করতে হবে। ট্রেড ও পদ ভিত্তিক দক্ষ জনশক্তি বিদেশে রপ্তানির জন্য তারা কাজ করবেন। প্রতিটি দেশে সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ই-মেইলের মাধ্যমে অবগত করতে হবে। তাদের জানাতে হবে- বাংলাদেশে এই ধরনের দক্ষ জনশক্তি মজুদ আছে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশে দক্ষ লোকের চাহিদাপত্র সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের মাধ্যমে উপস্থাপন করতে হবে। দুতাবাস কর্তৃক চাহিদাপত্র পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ট্রেনিং সেলে প্রেরণ করতে হবে। ট্রেনিং সেল জেলা কোটা অনুযায়ী প্রতিটি জেলায় প্রেরণ করবেন। ডিসি (ট্রেনিং) বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সার্টিফিকেটধারী কর্মীদের বিদেশ যাবার জন্য আবেদন গ্রহণ করবেন এবং প্রতি জেলার কর্মসংস্থান ব্যাংক থেকে সর্বনিম্ম ৫০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ১ লক্ষ টাকা ঋণ করবেন। ঋণ পরিশোধ এবং রেমিট্যান্স পাঠানোর লক্ষ্যে কর্মসংস্থান ব্যাংকে হিসাব খুলে জিপিএস কোঅর্ডিনেট স্থাপন করবেন।

এ সকল পদ্ধতি অনুসরণপূর্বক সার্টিফিকেটধারী দক্ষ জনশক্তিদের নিরাপদ, সহজ ও দুর্নীতিমুক্ত বিদেশ গমণ নিশ্চিত হবে; অর্জিত হবে দশগুণ রেমিট্যান্স; প্রতিষ্ঠিত হবে স্মার্ট বাংলাদেশ।

ইত্তেফাক/এআই