ক্যারিয়ারে অনেকের আইকন তিনি

আপডেট : ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:৫৮

খুলনার ছেলে ড. গাজী রিয়াজ রহমান। পেশায় একজন চোখের চিকিৎসক, ইংরেজিতে যাদের বলা হয় অপ্টোমেট্রিস্ট। সফলতার স্বর্নশিখরে পৌঁছেছেন তার ক্যারিয়ারে, তার সম্পর্কে নিয়মিত আলোচনা হয় এখন সারাদেশেই। কারণ এই মানুষটি দেশের প্রথম আধুনিক মায়োপিয়া সেন্টারের যাত্রা শুরু করেছেন, করেছেন গ্লোবাল ব্রান্ড জেইসের বাংলাদেশ পর্বের পার্টনারশিপ, মানুষটি কাজ করছেন দেশের চোখের জটিল সমস্যায় ভোগা অনেক মানুষের একমাত্র বিশ্বস্ত নাম হয়ে। 

খুলনা শহরের এই ডানপিটে ছেলেটি ক্রিকেট খেলতে ভীষণ ভালোবাসেন, ক্রিকেটের প্রতি তার আগ্রহের কথাও জানে তার পরিচিত সবাই। সংসার জীবনে স্ত্রী ও কন্যা আর পরিবার নিয়ে তার সুখের সংসার। তার প্রতিষ্ঠান ঢাকা অপটিক্যাল প্যাভিলিয়নের মূল শাখা ঢাকার কাওরানবাজারের প্রাণকেন্দ্রে, সেখানেই তিনি স্থাপন করেছেন দেশের সবচেয়ে আধুনিক সব চোখের পরীক্ষা নিরীক্ষার ব্যবস্থা। 

বর্তমানে খুলনা, তেজগাঁও, কাওরানবাজারসহ তার রয়েছে ৪টি পৃথক শাখা, শীগগিরই দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে ডোর-স্টেপ ভীশন কেয়ার সার্ভিস চালুর আশাবাদ তার।

বলা হচ্ছে, গত ১০বছরে দেশের চোখের দৃষ্টির চিকিৎসায় রীতিমত বিপ্লব ঘটানোর পেছনে এই মানুষটির অবদান অনেকাংশে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন অপ্টোমেট্রি ডিগ্রী নেয়া ড. রিয়াজ পাবলিক হেলথ অফথামোলজির উপর স্নাতকোত্তর করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ এশিয়া থেকে আর মালয়েশিয়া থেকে পিএইচডি ডিগ্রী সম্পন্ন করেছেন পিএইডি ইন হেলথ ম্যানেজমেন্টে।

কর্মজীবনে তার রয়েছে ব্যাপক সফল সব অভিজ্ঞতার ঝুলি। নেপাল হেলথ রিসার্চ কাউন্সিল, সিএসএফ গ্লোবাল, ভীশন স্প্রিং বাংলাদেশ, জেইস ভীশন সেন্টার, ঢাকায় কাজ করেছেন তিনি। তার রোগীর একটা বড় অংশ দেশের সচেতন শ্রেণীর মানুষ।

বর্তমানে তিনি ঢাকা অপটিক্যাল প্যাভিলিয়নের স্বত্বাধিকারী ও সিইও হিসেবে কাজ করছেন।তরুণ অপ্টোমেট্রিস্টদের জন্য তার পরামর্শ হলো, "পেশাটাকে খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে করতে হবে, এমন একটি বিষয় নিয়ে আমাদের কাজ যার মাধ্যমে একজন মানুষ খুবই চিন্তিত থাকেন। আরেকটা বিষয় আমি আমার কর্মজীবন থেকে উদ্যোক্তা জীবনের শিক্ষায় বলবো, নিজেকে ভাবতে হবে মানুষের জন্যই কাজ করছি কখনো এটাকে বিজনেস ভাবা যাবেনা।"

ড. গাজী রিয়াজ ২০২৩ সালে জিতেছেন সম্মানজনক এশিয়া প্যাসিফিক এক্সিলেন্স এওয়ার্ড, জিতেছেন গ্লোবাল রাইজিং হেলথ লিডার, তাকে সম্মানিত করা হয়েছে অনারারী ডক্টরেট ইন অফথামোলজিতে।

ইত্তেফাক/এএইচপি