ফটোশপ বা ফটো ম্যানিপুলেশন অ্যাপের মাধ্যমে ছবি সহজেই নিখুঁতভাবে নকল করা গেলেও, ডিপফেক প্রযুক্তির মাধ্যমে মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে এখন কণ্ঠস্বর, চেহারার অভিব্যক্তি এবং শারীরিক চালচলনসহ সবকিছু নকল করে অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য ভিডিও তৈরি করা সম্ভব। এ জন্য অনলাইনে তথ্য শেয়ারের ক্ষেত্রে আরও বেশি সতর্ক হতে হবে।
বুধবার (১৪ জুন) আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (এআইএউবি) মিডিয়া এন্ড ম্যাস কমিউনিকেশন বিভাগ আয়োজিত ‘আইডেন্টিফাইং ডিপফেকস: সেফগার্ডিং এগেন্স্ট ইনফরমেশন পলুশান’ শীর্ষক ওয়েবিনারে বক্তারা এ কথা জানান।
ভার্চুয়াল ওয়েবিনারটিতে আলোচক ছিলেন ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট ও পিএইচডি স্টুডেন্ট সঞ্জয় সাহা এবং এজেন্সি ফ্রান্স-প্রেসের (এএফপি) ফ্যাক্ট চেক এডিটর ও গুগল নিউজ ইনিশিয়েটিভের ওএসআইএনটি প্রশিক্ষক কদরুদ্দিন শিশির।
ডিপফেক প্রযুক্তি দিয়ে কীভাবে ক্ষতিকর ছবি, ভিডিও ও অডিও ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব, সঞ্জয় সাহা তা তুলে ধরেন। কীভাবে এই প্রযুক্তি থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখা সম্ভব সে বিষয়েও দিক নির্দেশনা দেন। ডিপফেক কতটা বিপজ্জনক হতে পারে, তার গুরুত্ব অনুধাবনের উপরও তিনি জোর দেন।
কদরুদ্দিন শিশির বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কী ধরনের ডিপফেক তৈরি হচ্ছে, সেই কেসগুলো তুলে ধরেন এবং সবাইকে এ সম্পর্কে আরও সচেতন হতে বলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে এমএমসি বিভাগের টেম্পোরারি কো-অর্ডিনেটর ও সহকারী অধ্যাপক আফরোজা সোমা স্বাগত বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নাসরিন আক্তার। অনুষ্ঠানে ছিলেন এআইএউবির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
