বিশ্বম্ভরপুরে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ

আপডেট : ২১ জুন ২০২৪, ০০:৪৯

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় বন্যাকবলিত মানুষের মাঝে খাদ্য ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বিকেলে সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. মোহাম্মদ সাদিক বিশ্বম্ভরপুরের ভাটিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে খাদ্যসামগ্রীর প্যাকেট বিতরণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম তালুকদার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মফিজুর রহমান, বিশ্বম্ভরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শ্যামল বণিক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহ দিলোয়ার হোসেন, বাদাঘাট দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান মো. ছবাব মিয়া, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম,  প্রেসক্লাব সভাপতি স্বপন কুমার বর্মণ প্রমুখ।

ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে আছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি এ অঞ্চলের মানুষের খোঁজখবর রাখছেন। পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্থানীয় প্রশাসনও সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে।

এদিকে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার বন্যার্তদের উদ্ধারের পাশাপাশি পৃথক এক কর্মসূচিতে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশ। গত মঙ্গলবার থেকে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় ও আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে বিশ্বম্ভরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শ্যামল বনিকের নেতৃত্বে দুইটি টিম কাজ করছে। বুধবার প্যারিনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে ৭০ জন, ধরেরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫০ জন এবং ভাটিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৮ জনের মধ্যে দুপুরের খাবার বিতরণ করেন থানার ওসি।

থানা পুলিশের উদ্যোগে খাবারের প্যাকেট বিতরণ। ছবি: ইত্তেফাক

গত ১৪ জুন রাত থেকে টানা বর্ষণে বিশ্বম্ভরপুরের সকল নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে থাকে। ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে পলাশ ইউপির ধরেরপাড়, বসন্তপুর, পদ্মনগর, কাচিরগাতি, ধনপুর ইউপির চান্দারগাঁও, মহেন্দ্রনগর, বাদাঘাট দক্ষিণ ইউপির শ্রীধরপুর, গন্ডামারা (মুজিবপল্লি), বাঘমারা (মুজিবপল্লি), ধরেরকান্দা, শক্তিয়ারখলা, ছত্রিশ গ্রাম প্লাবিত হয়। এছাড়া ফতেপুর ইউপির বিভিন্ন গ্রামের রাস্তায় পানি প্রবেশ করে এবং নিম্নাঞ্চল বন্যার পানিতে প্লাবিত করে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মফিজুর রহমান জানিয়েছেন, বন্যার্তদের জন্য উপজেলায় মোট ২২টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র চালু রাখা হয়েছে। বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে শতাধিক পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। প্রশাসন থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হচ্ছে।

ইত্তেফাক/এসটিএম