হাজারো পরিবারের কাছে কোরবানির গোশত পৌঁছে দিল মাস্তুল ফাউন্ডেশন

আপডেট : ২২ জুন ২০২৪, ১৯:২২

এবারের ঈদুল আযহায় দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ১২ হাজারেরও বেশি অসহায়, দরিদ্র্য ও নিম্ন আয়ের পরিবারের মাঝে কোরবানির গোশত বিতরণ করেছে মাস্তুল ফাউন্ডেশন।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে অসহায় মানুষকে ঈদের আনন্দে অংশ গ্রহণের সুযোগ করে দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সমাজে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। কোরবানির কার্যক্রমটি পরিচালিত হয়েছে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিশেষ করে ঘূর্ণিঝড় আক্রান্ত জেলা সাতক্ষীরা, বরগুনা, পটুয়াখালি এবং রংপুর, দিনাজপুর ও কুড়িগ্রামে। 

মাস্তুল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক কাজী রিয়াজ রহমান বলেছেন, কোরবানির উদ্দেশ্য হল ত্যাগের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন। তাই প্রতি বছর মাস্তুল ফাউন্ডেশন অসহায়দের মাঝে কোরবানির গোশত বিতরণ করে এই উদ্যোগকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।

তিনি আরও বলেন, মাস্তুল ফাউন্ডেশন শুধুমাত্র গরিব ও অসহায়দের মাঝেই গোশত বিতরণ করেনি, বরং লজ্জায় যারা কারো কাছে গোশত চাইতে পারে না তাদেরও গোপনীয়তার সঙ্গে সহায়তা করেছে।

মাস্তুল ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধিত দাতব্য প্রতিষ্ঠান। মাস্তুলের প্রধান কাজের মধ্যে রয়েছে দাফন-কাফন সেবা প্রজেক্ট, যার মাধ্যমে করোনার শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৩০০০ এর অধিক লাশ দাফন হয়েছে। মাস্তুলের রয়েছে নিজস্ব স্কুল, মাদ্রাসা এবং শেল্টারহোম যেখানে আবাসিক/অনাবাসিক মিলে শতাধিক পিতামাতাহীন/ অনাথ/ এয়াতিম শিক্ষার্থী রয়েছে । 

এর বাহিরে কয়েক জেলায় প্রজেক্ট স্কুলগুলোতে হাজারের অধিক সুবিধাবঞ্চিত মেধাবী শিক্ষার্থীদের সকল শিক্ষার উপকরন দেয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্য, পুষ্টিকর খাবার, শিশু অধিকার, মৌলিক চাহিদা নিশ্চয়তা করা হচ্ছে। মাস্তুল ফাউন্ডেশনের রয়েছে সেলাই প্রশিক্ষন কেন্দ্র, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র যার মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে কর্মক্ষম করে তোলা হচ্ছে। এর বাহিরে যাকাত স্বাবলম্বী প্রজেক্টের মাধ্যমে ১০০০ জনের বেশি মানুষকে স্বাবলম্বী করা হয়েছে। এছাড়া রয়েছে মাস্তুল মেহমানখানা, যেখান থেকে শতাধিক অসহায় নিম্ন আয়ের মানুষের একবেলা পেট পুড়ে খাওয়ার ব্যাবস্থা হয়। 

ইত্তেফাক/জেডএইচডি