বাবুল হত্যার মদদদাতারা জানাজায় আসেনি: শাহরিয়ার আলম

আপডেট : ২৭ জুন ২০২৪, ২০:০৩

রাজশাহীর বাঘায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুলকে হত্যার মদদদাতারা তার জানাজায় অংশ নেয়নি বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। তিনি বলেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। এতে যারা মদদ যুগিয়েছে তারা কেউ জানাজায় আসেননি। 

আজ বৃহস্পতিবার সকালে বাঘা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে আশরাফুল ইসলাম বাবুলের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে নিজ গ্রাম গাওপাড়া এলাকায় পারিবারিক  গোরস্থানে বাবা আমির হোসেন আমুর কবরের পাশে তাকে শায়িত করা হয়। 

জানাজার আগে শাহরিয়ার আলম বলেন, আমি সাধারণত কোনো জানাজায় গিয়ে বক্তব্য দিতে চাইনা। তারপরও আজ বাবুল ভাইয়ের লাশ সামনে রেখে দু’টি কথা বলতে হচ্ছে। আশরাফুল ইসলাম বাবুল অন্যান্ত শান্ত ও সাদা-মনের একজন মানুষ ছিলেন। তার অপরাধ, তিনি আমাকে বিপুল ভোটের ব্যাবধানে চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য হতে সহায়তা করেছেন। আমি পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি যারা বাবুল ভাইকে হত্যা করেছে, তাদের মদদদাতারা কেউ এ জানাজায় উপস্তিত হননি।

এ সময় তিনি রাজশাহী সিটি মেয়র এ এইচ এম খাইরুজ্জামান লিটন, সাবেক জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদ, জেলা আ’লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক লায়েব উদ্দিন লাভলু ও জেলা যুবলীগ নেতা মেরাজুল ইসলাম মেরাজ বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। সেইসঙ্গে এসব নেতার মোবাইলের কললিষ্ট যাচাই করলে বাঘার কোন-কোন খুনি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলে সেটিও বেরিয়ে আসবে বলে মন্তব্য করেন তিনি । 

জানাযায় উপস্থিত হয়ে স্মৃতিচারণ মূলক বক্তব্য দেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সরকারের স্থানীয় সরকার ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী আব্দুল ওয়াদুদ দারা। এ সময় ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, রাজশাহী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল, বিশিষ্ট সমাজসেবক মোহাম্মদ শামসুদ্দীন, বাঘা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তরিকুল ইসলাম, আড়ানী পৌর মেয়র মুক্তার আলী, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি শিক্ষক আনজারুল ইসলাম, নিহত বাবুল ইসলামের দুই সন্তান ও পাশ্ববর্তী  চারঘাট, পুটিয়া এবং লালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতারা।

ইত্তেফাক/জেডএইচডি