রংপুরের মিঠাপুকুরে সেপটিক ট্যাংকে পড়ে মা-ছেলেসহ তিনজনের মৃত্যুর খবরে ঘটনাস্থলে গিয়ে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন স্থানীয় এক যুবক। গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ধাপ উদয়পুর গ্রামে ঘটনাস্থলে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মারা যান।
গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হারুন-অর রশিদ জানান, ওই যুবকের নাম হুমায়ুন কবীর। তিনি একই ইউনিয়নের বোয়ালমারী গ্রামের নুরু মুন্সির ছেলে।
হুমায়ুনের স্বজনরা জানান, গতকাল সকালে ধাপ উদয়পুর গ্রামে সেপটিক ট্যাংকে পড়ে মা-ছেলেসহ তিনজনের মৃত্যুর খবর শুনে সেখানে যান হুমায়ুন। পরে ঘটনাস্থলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রংপুর মেডিক্যালে নেওয়া হয়। রাতে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
গতকাল সকালে বাড়ির পাশে লাউ পাতা তুলতে গিয়ে পা পিছলে সেপটিক ট্যাংকে পড়ে যান দেলোয়ারা বেগম। চিৎকার শুনে তাকে উদ্ধারে ট্যাংকে নামেন ছেলে ঈদা মিয়া ও প্রতিবেশি ইবলুল মিয়া। একপর্যায়ে তাদের সাড়া না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন স্থানীয়রা। তবে সেখানে জমে থাকা গ্যাসের কারণে ততক্ষণে তিনজনই মারা গেছেন। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে।
মিঠাপুকুর থানার ওসি ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা হয়েছে।
