বাঘায় বাবুল হত্যা: আসামি আক্কাছ-মেরাজের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০২৪, ২২:৫০

আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল হত্যার আসামি পৌর মেয়র আক্কাছ আলী এবং ইউপি চেয়ারম্যান মেরাজুল ইসলাম মেরাজের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। 

রোববার (৭ জুলাই) বিকালে দলীয় কার্যালয় থেকে উপজেলার প্রধান-প্রধান সড়কে বিক্ষোভ শেষে তারা সমাবেশে মিলিত হন। 

আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ বাঘা উপজেলা শাখার সভাপতি নাজমুল হক ও সাধারণ সম্পাদক ফকরুল হাসান বিপ্লবের নেতৃত্বে একটি বিশাল মিছিল উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয় বাঘা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে মিলিত হয়। এই মিছিলের সামনে একটি ব্যানারের পাশাপাশি অসংখ্য বিলবোড লক্ষ করা যায়। সেই বিল বোর্ডে নিহত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুলের ছবি এবং তার নিচে এ হত্যা মামলার প্রধান ও দ্বিতীয় আসামির ক্রসচিহ্ন বিশিষ্ট ছবি দেখা যায়। এ মিছিলের স্লোগান ছিল  ফাঁসি-ফাঁসি ফাঁসি চাই, আক্কাছ-মেরাজের ফাঁসি চাই। 

এদিকে বিক্ষোভ শেষে তারা দলীয় কার্যালয়ের সামনে একটি সমাবেশে মিলিত হন। সমাবেশে উপজেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বক্তব্য দেন ৭টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌর সভা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং নিহত আশরাফুল ইসলাম বাবুলের বোন জামাতা সাবেক বাউসা ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শফিকুল ইসলাম শফিক, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের উপজেলা সভাপতি আনোয়ার হোসেন মিল্টন, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ফাতেমা খাতুন লতা ও বাজুবাঘা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানজিম হাসান স্বদেশ, নিহত আশরাফুল ইসলাম বাবুলের ছেলে আশিক জাবেদসহ আরও অনেকে। 

সমাবেশ বক্তারা বাবুল হত্যা মামলার প্রধান ও দ্বিতীয় আসামির ফাঁসিসহ সকল আসামিকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে সুষ্ঠু ও ন্যায় বিচারের দাবি জানান। 

উল্লেখ্য, গত ২২ জুন সকালে বাঘা পৌর মেয়র আক্কাছ আলীর অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করছিল উপজেলা আওয়ামী। এ সময় মানববন্ধনে হামলা চালান পৌর মেয়র আক্কাস আলী ও তার অনুসারীরা। এ ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল গুরুত্বর আহত হন। তাৎক্ষণিক তাকে রামেক হাসপাতালে আইসিউতে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৬ জুন রাতে মারা যান তিনি। এ ঘটনায় বাঘা থানায় একটি হত্যা মামলা হয়।

ইত্তেফাক/পিও